লিপি খাতুন নামে এক তরুণী পুলিশের এক কর্মকর্তার বিরুদ্ধে বৃহস্পতিবার (২৯ মার্চ) দুপুরে যশোর প্রেসক্লবে এক সংবাদ সম্মেলন করেছেন। সংবাদ সম্মেলনে চৌগাছা থানার এসআই অনিল মুখার্জীর বিরুদ্ধে চাকরি দেওয়ার নাম করে টাকা আত্মসাত ও হত্যা চেষ্টার অভিযোগে করা হয়েছে। তবে, এই অভিযোগটি পুরোপুরি অস্বীকার করেছেন ওই পুলিশ কর্মকর্তা।
চৌগাছা উপজেলার যাত্রাপুর গ্রামের ওই তরুণী সংবাদ সম্মেলনে সংবাদ সম্মেলনে বলেন,‘তার মামা শাহজালালকে পুলিশে চাকরি দেওয়ার কথা বলে স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর করে পাঁচ লাখ ৯০ হাজার টাকা নিয়েছে চৌগাছা থানার এসআই অনিল মুখার্জী। এ কাজে মধ্যস্থতা করেছে ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ উপজেলার রঘুনাথপুর গ্রামের ইদু মেম্বার ও তার সহযোগী ওমর আলী। গত ১ মার্চ পুলিশের নিয়োগ সম্পন্ন হয়। কিন্তু শাহজালালের চাকরি হয়নি। চাকরি না হওয়ায় শাহজালাল ও লিপি টাকা ফেরত চাইতে এসআই অনিল মুখার্জীর কাছে যান। এরপর থেকে এসআই অনিল ও তার সহযোগীরা তাদের নানাভাবে হুমকি দিচ্ছে। এমন কী যশোর শহর থেকে চৌগাছা ফেরার পথে চুড়ামনকাটি এলাকায় তাকে (লিপি খাতুন) মারধরও করা হয়। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করে। হামলাকারীরা হাসপাতালে গিয়ে হুমকি দিলে ভয়ে লিপি সেখান থেকে পালিয়ে যান। এরপর আদালতে মামলা করতে গেলে ফের তাকে কুপিয়ে জখম করা হয়। যে কারণে লিপি খাতুন ও তার মামাসহ পরিবারের লোকজন চরম ভীতির মধ্যে আছেন।
সংবাদ সম্মেলনে লিপি খাতুন হামলাকারী প্রতারকদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ ও টাকা ফেরত পেতে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
তবে, এসআই অনিল মুখার্জী তার বিরুদ্ধে উত্থাপিত অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, ‘গত ২৫ ফেব্রুয়ারি লিপি খাতুন মুক্তদহ বাঁওড়ে তার বন্ধু শরিফুল ও বাবুর সঙ্গে সময় কাটাচ্ছিল। এলাকাবাসী তাদের আটক করে পুলিশে খবর দেয়। আমি গিয়ে তাদের থানায় আনি। এ সময় লিপির সঙ্গে আমার কথা কাটাকাটি হয়। এই ক্ষোভে সে আমার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রে নেমেছে।’
আরও পড়ুন: জাতীয় যে কোনও সঙ্কটে আনসার সদস্যরা নিষ্টার সঙ্গে কাজ করে: স্বরাষ্ট্রন্ত্রী








