খুলনা মহানগরী আমির আবুল কালাম আজাদকে নাশকতা মামলায় শ্যোন অ্যারেস্ট দেখিয়ে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশের এডিসি ও মিডিয়া উইং প্রধান সোনালী সেন বলেন, ‘জামায়াত নেতা আবুল কালাম আজাদের নামে নাশকতার তিনটি মামলাসহ ১৩টি মামলা রয়েছে। শনিবার (২৭ অক্টোবর) দুপুরে তাকে সোনাডাঙ্গা থানার একটি নাশকতার মামলায় গ্রেফতার দেখানো হয়েছে।’
এর আগে শনিবার (২৭ অক্টোবর) ভোর ৬টার দিকে মহানগরীর রয়েল মোড়ের ফাল্গুনি পরিবহন থেকে তাকে মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ গ্রেফতার করে।
সোনাডাঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মমতাজুল হক জানান, গোপন খবরের ভিক্তিতে মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ রয়েল মোড় থেকে মাওলানা আবুল কালাম আজাদকে আটক করা হয়। এরপর তাকে খালিশপুরের গোয়েন্দা পুলিশের কার্যালয়ে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। সেখান থেকে জিজ্ঞাসাবাদ শেষে দুপুরে সোনাডাঙ্গা থানা পুলিশে হস্তান্তর করা হয়। এরপর তাকে সোনাডাঙ্গা থানায় গত ১০ অক্টোবরের দায়ের করা নাশকতার মামলায় (নম্বর ১৯) গ্রেফতার দেখিয়ে আদালতে পাঠানো হয়।
মহানগরী জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি শাহ আলম বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘মাওলানা আবুল কালাম আজাদ ইতোমধ্যে আদালত থেকে সব মামলার জামিন নিয়েছিলেন। তার বিরুদ্ধে কোনও মামলার ওয়ারেন্টও নেই। এমনকি তিনি সকল মামলায় আদালতে হাজিরা দিয়ে আসছেন। অথচ তাকে সোনাডাঙ্গা থানায় পুলিশের দায়ের করা বহুলালোচিত গায়েবি মামলায় গ্রেফতার দেখানো হয়েছে।’
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, আবুল কালাম আজাদ শনিবার ভোর ৫টা ৫০ মিনিটে ফাল্গুনি পরিবহনের বাসে করে ঢাকায় যাওয়ার উদ্দেশ্যে রয়েল মোড়ের কাউন্টারে যান। নিজের সিটেও বসেন। কিছুক্ষণ পর সাদা পোশাকের তিনজন এসে তাকে আটক করে পরিবহন থেকে নামিয়ে নিয়ে একটি সাদা মাইক্রোবাসে করে খালিশপুরের দিকে নিয়ে যায়।








