খুলনা সিটিকে গ্রিন ও ক্লিন গড়তে বাধা জলাবদ্ধতা, ময়লার ভাগাড়

মো. হেদায়েৎ হোসেন, খুলনা
২৭ মার্চ ২০১৯, ১১:০৬আপডেট : ২৭ মার্চ ২০১৯, ১১:৫৮

খুলনা সিটিকে গ্রিন ও ক্লিন গড়তে বাধা জলাবদ্ধতা, ময়লার ভাগাড় খুলনা সিটিকে একটি গ্রিন ও ক্লিন সিটি হিসেবে গড়ে তোলার অঙ্গীকার নিয়েই মেয়র নির্বাচিত হন তালুকদার আব্দুল খালেক। সেই লক্ষ্যে কাজও শুরু করেছেন তিনি। কিন্তু এবার শুষ্ক মৌসুমে ড্রেন পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার কাজ শুরুর সঙ্গে সঙ্গে অসময়ের বৃষ্টি ও ঝড়ো হাওয়ায় সব কিছু এলোমেলো হচ্ছে। গ্রিন ও ক্লিন সিটি গড়ার ক্ষেত্রে প্রধান ও অন্যতম বাধা হয়ে উঠছে বৃষ্টি, জলাবদ্ধতা ও ময়লার ভাগাড়। বৃষ্টি হলেই তলিয়ে যাচ্ছে নগরীর ড্রেন ও সড়ক। আর ড্রেন দিয়ে ভেসে আসা ময়লা সড়কে জমে তৈরি হচ্ছে ভাগাড়।

মহানগরীর টুটপাড়া এলাকার ব্যবসায়ী আফসার হোসেন বলেন, বৃষ্টি হলেই সড়ক চলাচলের অযোগ্য হয়ে পড়ে। সড়কে পানির সঙ্গে ভাসমান ময়লা দেখিয়ে তিনি বলেন, এ অবস্থা চলতে থাকলে সিটিকে গ্রিন ও ক্লিন সিটিতে কীভাবে রূপান্তর করা সম্ভব হবে? নেতাদের আন্তরিকতা এবং সরকার ও দাতাদের অর্থ সরবরাহে ঘাটতি না থাকলেও নগরবাসী যতক্ষণ না ময়লা ব্যবস্থাপনা ঠিকমতো করতে না পারবে, ততক্ষণ গ্রিন ও ক্লিন সিটির প্রত্যাশা করা ঠিক হবে না।

খুলনা সিটি করপোরেশনের নির্বাহী প্রকৌশলী (যান্ত্রিক) ও প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা আব্দুল আজিজ বলেন, ‘নিয়মিত কেসিসি ড্রেন পরিষ্কার করছে। স্কেভেটর দিয়ে ড্রেন পরিষ্কার করা হচ্ছে। একটি স্লাব ওঠালে কয়েক গাড়ি ময়লা উঠছে। সবাই সচেষ্ট থাকলেও অসময়ের বৃষ্টিতে এ উদ্যোগ বিঘ্নিত হচ্ছে।’

এদিকে মহানগরীতে ওয়াসার প্রকল্পের সংযোগ পাইপের কাজ চলমান থাকায় সড়কের অনেক স্থানে রয়েছে খানাখন্দ। ফলে সে সব জায়গায় পানি জমতে দেখা যায়। সেই সঙ্গে ড্রেনের ময়লা উঠে আসে রাস্তায়। এতে বিপাকে পড়েন পথচারীরা।

খুলনা নাগরিক আন্দোলনের মহাসচিব এসএম দেলোয়ার হোসেন বলেন, ‘নগরীর এমএ বারী সড়কের বেহাল অবস্থা। এ রোডের ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলো ড্রেন এবং রাস্তাকে তাদের জায়গায় বানিয়েছে। এখনও রাস্তা, ফুটপাত ও ড্রেন দখলদারদরে পক্ষে রয়েছে। তাছাড়া কেসিসি ঠিকমতো ড্রেন থেকে ময়লা অপসারণ করছে না। বাস টার্মিনালের ময়লাও এখন ড্রেনে যাচ্ছে। ফলে বৃষ্টি হলেই সেই ময়লা রাস্তায় চলে আসছে। ’

বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলন (বাপা) খুলনার সমন্বয়কারী অ্যাড. বাবুল হাওলাদার বলেন, ‘নগরীর পানি অপসারণের ব্যবস্থা করতে হবে। শান্তিধাম, বেনীবাবু রোড, প্রেস ক্লাব মোড়, কেডিএ এভিনিউ এলাকায় অল্প বৃষ্টিতেই পানি জমে। এগুলো অপরিকল্পিত নগরায়নের ফল। কেসিসিকে নিয়মিত ড্রেন পরিষ্কার করতে হবে। ড্রেনের পলি অপরসরণ করতে হবে। নগরবাসীকে ময়লা, পলিথিনসহ অন্যান্য বর্জ্য ড্রেনে ফেলা থেকে বিরত থাকতে হবে।’

/এআর/
সম্পর্কিত
সর্বশেষ খবর
সীমান্তে কঠোর বিজিবি, ১০ পুশ-ইন চেষ্টা প্রতিহত
সীমান্তে কঠোর বিজিবি, ১০ পুশ-ইন চেষ্টা প্রতিহত
যুবদলের ১৫১ সদস্যের কেন্দ্রীয় কমিটির অনুমোদন
যুবদলের ১৫১ সদস্যের কেন্দ্রীয় কমিটির অনুমোদন
বিদ্যুতের দাম বৃদ্ধি: সবচেয়ে বেশি চাপে মধ্যবিত্ত
বিদ্যুতের দাম বৃদ্ধি: সবচেয়ে বেশি চাপে মধ্যবিত্ত
দেশে ফিরেছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান
দেশে ফিরেছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান
সর্বাধিক পঠিত
খাবার মুখে দেওয়ার সময় স্বাস্থ্যমন্ত্রীর চামচে ফুঁ দেওয়া লোকটি কে
খাবার মুখে দেওয়ার সময় স্বাস্থ্যমন্ত্রীর চামচে ফুঁ দেওয়া লোকটি কে
চট্টগ্রামে ৬০ কোটি টাকায় আনা জাহাজে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা, বেকায়দায় আমদানিকারক
চট্টগ্রামে ৬০ কোটি টাকায় আনা জাহাজে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা, বেকায়দায় আমদানিকারক
ইউনিটপ্রতি কত বাড়লো বিদ্যুতের দাম
ইউনিটপ্রতি কত বাড়লো বিদ্যুতের দাম
অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে প্রথম দুই ওয়ানডের দল ঘোষণা বাংলাদেশের
অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে প্রথম দুই ওয়ানডের দল ঘোষণা বাংলাদেশের
বাড়লো বিদ্যুতের দাম
বাড়লো বিদ্যুতের দাম