খুলনার চার উপজেলার লক্ষাধিক পরিবার আশ্রয়কেন্দ্রে

খুলনা প্রতিনিধি
০৪ মে ২০১৯, ০৯:১৩আপডেট : ০৪ মে ২০১৯, ০৯:২৭

ফণীর প্রভাবে নদীর পানি বৃদ্ধি ঘূর্ণিঝড় ফণীর প্রভাবে শুক্রবার দিনভর খুলনার উপকূলীয় এলাকায় নদ-নদীর পানির উচ্চতা বেড়েছে। বিকালের পর থেকে বৃষ্টিপাত শুরু হয়েছে।  সাথে সাথে বাড়ে বাতাসের তীব্রতাও। উপকূলীয় জেলার বাসিন্দাদেরও নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নিতে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাদের নেতৃত্বে স্বেচ্ছা সেবকরা সার্বক্ষণিক কাজ করছেন। চার উপজেলার লক্ষাধিক পরিবার আশ্রয়কেন্দ্রে আশ্রয় নিয়েছে।

খুলনা জেলা প্রশাসনের নিয়ন্ত্রণ কক্ষের সদস্য ত্রাণ শাখার প্রধান সহকারী শাহানা বেগম বলেন, খুলনার কয়রা উপজেলার ১১৬টি আশ্রয় কেন্দ্রে ৫০ হাজার পরিবার, দাকোপ উপজেলার ৯৯ আশ্রয় কেন্দ্রে ৫০ হাজার পরিবার এবং পাইকগাছা উপজেলার ৩৫ আশ্রয় কেন্দ্রে ১০ হাজার ও বটিয়াঘাটা উপজেলার ২০ আশ্রয়কেন্দ্রে এক হাজার পরিবারকে নেওয়া সম্ভব হয়েছে।

ফণীর প্রভাবে নদীর পানি বৃদ্ধি দাকোপ উপজেলার ৪নং খোনা খাটাইল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও খোনা কে বি মাধ্যমিক বিদ্যালয় আশ্রয়কেন্দ্রে মানুষদের নিয়ে আসা হয়। পর্যায়ক্রমে কয়রা ও পাইকগাছার আশ্রয় কেন্দ্রগুলোতে মানুষ আনা হয় ঘূর্ণিঝড় প্রস্তুতি কর্মসূচি (সিপিপি) ও উপজেলা প্রশাসনের সহযোগিতায়। পাশাপাশি আশ্রয়কেন্দ্রে আসতে চলছে মাইকিং।

কয়রা উপজেলার দক্ষিণ বেদকাশী ইউনিয়নের ৩ নং ওয়ার্ড ইউপি সদস্য বেলাল হোসেন বলেন, ‘শুক্রবার দুপুরের দিকে কিছু মানুষ আশ্রয়কেন্দ্রে এসেছেন। তবে, পর্যাপ্ত জায়গা, পানি, টয়লেটের ব্যবস্থা না থাকায় অনেকেই আসতে চান না।’

ফণীর প্রভাবে নদীর পানি বৃদ্ধি খুলনা জেলা ত্রাণ কর্মকর্তা আজিজুল হক জোয়ার্দার বলেন, ঘূর্ণিঝড় ফণীর সম্ভাব্য ক্ষতি এড়াতে জেলার ৩২৫টি আশ্রয়কেন্দ্র খোলা রাখা হয়েছে। কেউ কেউ সেচ্ছায় আশ্রয়কেন্দ্রে আসেন। যারা আসতে চাচ্ছেন না তাদের পুলিশের সহযোগিতায় স্থানীয় প্রশাসন তাদের বুঝিয়ে আনছে।

তিনি জানান, কয়রা, দাকোপ ও পাইকগাছার বেশ কিছু দুর্গম ও ঝুঁকিপূর্ণ এলাকার মানুষকে আশ্রয়কেন্দ্রে আনা হয়েছে।

নিরাপদ আশ্রয়ে মাছ ধরার নৌকা ঘূর্ণিঝড়ের সবচেয়ে ঝুঁকিতে থাকা খুলনার কয়রা উপজেলার বাগালী ইউনিয়নের হোগলা, কয়রা ইউনিয়নের গোবরা, ঘাটাখালী, হরিণখোলা, উত্তর বেদকাশীর গাজীপাড়া, বিনাপানি, গাব্বুনিয়া, দক্ষিণ বেদকাশির জোড়শিং, চোরামুখা, আংটিহারা, গোলখালী, খাশিটানা, মহেশ্বরীপুরের সরদারঘাট, পাইকগাছা উপজেলার শিবসা পাড়ের গড়ইখালী ইউনিয়নটি গড়ইখালী, দাকোপের বাণিশান্তা, বাজুয়া, কামারখোলা, সুতারখালী, কালাবগী, নলিয়ান, জেলেখালী, জয়নগর, গুনারী, বটিয়াঘাটা উপজেলার শিয়ালীডাঙ্গা এলাকাজুড়ে আতঙ্ক বিরাজ করছে।

এদিকে ফণীর কবল থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য খুলনায় জুমার নামাজে মসজিদে মসজিদে দোয়া হয়েছে।

/এসটি/
সম্পর্কিত
সর্বশেষ খবর
এক দিনেই ৭০০ তিমি ও ডলফিন হত্যা
এক দিনেই ৭০০ তিমি ও ডলফিন হত্যা
দিল্লীতে আগুনে ৮ বাংলাদেশি আহত, গুরুতর অবস্থা তিন জনের
দিল্লীতে আগুনে ৮ বাংলাদেশি আহত, গুরুতর অবস্থা তিন জনের
ফুল দিয়ে ড. খলিলুর রহমানকে বরণ
ফুল দিয়ে ড. খলিলুর রহমানকে বরণ
প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে বন্ধ কলকারখানা চালু ও ব্যবস্থাপনা সংক্রান্ত সভা
প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে বন্ধ কলকারখানা চালু ও ব্যবস্থাপনা সংক্রান্ত সভা
সর্বাধিক পঠিত
চট্টগ্রামে ৬০ কোটি টাকায় আনা জাহাজে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা, বেকায়দায় আমদানিকারক
চট্টগ্রামে ৬০ কোটি টাকায় আনা জাহাজে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা, বেকায়দায় আমদানিকারক
ইউনিটপ্রতি কত বাড়লো বিদ্যুতের দাম
ইউনিটপ্রতি কত বাড়লো বিদ্যুতের দাম
অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে প্রথম দুই ওয়ানডের দল ঘোষণা বাংলাদেশের
অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে প্রথম দুই ওয়ানডের দল ঘোষণা বাংলাদেশের
বাড়লো বিদ্যুতের দাম
বাড়লো বিদ্যুতের দাম
তৃতীয় বিয়ের পিঁড়িতে বসতে যাচ্ছেন আমির খান
তৃতীয় বিয়ের পিঁড়িতে বসতে যাচ্ছেন আমির খান