খুলনায় ভূমি অফিসে জমির নামজারির জন্য ১,৭০০ টাকা জমা দিয়ে ১,১৫০ টাকার রশিদ এবং খাজনা বাবদ ১,৫০০ টাকা জমা দিয়ে ৭৬০ টাকার রশিদ পেয়েছেন একজন ভূমি মালিক। এস এ মারুফ আহমেদ নামে এক ব্যক্তি এই অভিযোগ করেছেন। তার অভিযোগ ও রশিদের টাকার হিসেব অনুযায়ী নামজারির ৫৫০ টাকা ও খাজনায় ৭৪০ টাকা বেশি নেওয়া হয়েছে।
শুক্রবার (২৫ ডিসেম্বর) ভুক্তভোগী এস এম মারুফ আহমেদ জানান, তার চাচা জিয়াউল হকের জমির নামজারির জন্য ১৭০০ টাকা খুলনা সদর ভূমি অফিসের ইউনিয়ন উপ-সহকারী কর্মকর্তা মো. আবুল হাসনাত নিজেই নিয়েছেন। কিন্তু রশিদে লিখেছেন ১১৫০ টাকা। আর খাজনার জন্য ১৫০০ টাকা নিয়েছেন খুলনা সদর ভূমি অফিসের নাজির সাথী মণ্ডল নিজেই। কিছুক্ষণ পর তিনি একটি রশিদ দেন। যাতে ৭৬০ টাকার কথা লেখা হয়েছে।
তিনি অভিযোগ করে বলেন, কম টাকার রশিদ দেওয়ার কারণ জানতে চাইলে তারা জানান এভাবে হলে কাজ হবে। না হলে কাজ হবে না। সদর ভূমি অফিসসহ খুলনার ভূমি অফিসগুলোতে নামজারি ও খাজনা বাবদ প্রচুর টাকা এভাবেই বেশি নেওয়া হচ্ছে। এর ফলে সরকার রাজস্ব বঞ্চিত হচ্ছে। আর অসাধু লোকজন সুবিধা নিচ্ছে।
বিষয়টি ভুক্তভোগী জেলা প্রশাসনের ফেসবুক পেজেও লিখেছেন এবং প্রতিকার চেয়ে জেলা প্রশাসকের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন।
খুলনা সদর ভূমি অফিসের নাজির সাথী মণ্ডল বলেন, ‘জমির নামজারি বা মিউটেশনের জন্য ১১৫০ টাকাই নেওয়া হয়। বাড়তি টাকা নেওয়ার কোনও সুযোগ নেই। এ ধরনের বাড়তি টাকা নেওয়ার কোনও বিধান নেই।’
খুলনা সদর ভূমি অফিসের অফিস সহকারী মো. ইনসান উদ্দিন জানান, এই ধরনের কোনও অভিযোগের বিষয়ে তিনি জানেন না।







