যশোরের নতুনহাট এলাকা থেকে প্রায় ছয় কেজি ওজনের ৫০টি সোনার বারসহ দুজনকে আটক করেছে বিজিবি। শুক্রবার (১০ ডিসেম্বর) সকালে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়। মাত্র তিন হাজার টাকার বিনিময়ে এই সোনা বহন করছিলেন বলে দাবি করেছেন আটক ব্যক্তিরা।
আটকরা হলেন- তৌহিদুল ইসলাম (৪৩) ও ইমরান হোসেন (৩৫)। তৌহিদুল নড়াইলের কালিয়া উপজেলার শরণখোলা গ্রামের খোকা মোল্লার ছেলে এবং ইমরান হোসেন একই উপজেলার পুরুলিয়া গ্রামের হারিয়াস সরদারের ছেলে।
বিকালে বিজিবি জানায়, যশোর জেলার সঙ্গে ভারতের দীর্ঘ সীমান্ত রয়েছে। এ সীমান্তকে ঘিরে কিছু চোরাকারবারি দীর্ঘদিন ধরে সোনা চোরাচালান করে আসছে। এ কারণে হুন্ডি, মাদক, চোরাচালান ও সোনা চোরাচালানকারীদের আটকের জন্য বিজিবির বিশেষ পরিকল্পনা অনুযায়ী গোয়েন্দা তৎপরতাসহ অভিযান জোরদার রয়েছে। ফলশ্রুতিতে আজ সকালে বেনাপোল বিজিবি কোম্পানি সদরের সুবেদার মো. আহসান হাবিবের নেতৃত্বে একটি টিম যশোর-বেনাপোল সড়কের নতুনহাট এলাকায় বেনাপোলগামী একটি মোটরসাইকেলের গতিরোধ করে তল্লাশি করে। এ সময় দুই আরোহী তৌহিদুল ইসলাম ও ইমরান হোসেনের দেহ তল্লাশি করে ৫০টি সোনার বার উদ্ধার করা হয়।
আটক তৌহিদুল ইসলাম জানিয়েছেন, তারা দীর্ঘদিন ধরে এ কাজের সঙ্গে জড়িত। মূলত তারা জনপ্রতি তিন হাজার টাকার বিনিময়ে যশোর থেকে সোনা রিসিভ করে বেনাপোলে পৌঁছে দেন। আজ যশোর শহরের দড়াটানা থেকে তাদের গ্রুপের একজনের কাছ থেকে সোনার বারগুলো সংগ্রহ করেন। এরপর তা নিয়ে মোটরসাইকেলে করে বেনাপোলে নিয়ে যাচ্ছিলেন। বেনাপোলে ভারত থেকে আসা এক ব্যক্তির সেগুলো গ্রহণের কথা ছিল।
যশোরের ৪৯ বিজিবির অধিনায়ক লে. কর্নেল সেলিম রেজা জানিয়েছেন, আটকরা কোমরে বেঁধে স্বর্ণ পাচার করছিল। জব্দ স্বর্ণের ওজন পাঁচ কেজি ৮৪০ গ্রাম। যার আনুমানিক মূল্য চার কোটি আট লাখ ৮০ হাজার টাকা।
সংঘবদ্ধ চক্রটির সদস্যদের কয়েকজনকে এর আগেও আটক করা হয়েছিল। তাদের বিরুদ্ধে মামলা দিয়ে থানায় সোপর্দ করা হবে।









