এবার স্থলপথে ব্যবসায়িক ও স্টুডেন্ট ভিসায় ভারত ভ্রমণে নিষেধাজ্ঞায় আরোপ করা হয়েছে। শুক্রবার (১০ ডিসেম্বর) বিকাল থেকে ব্যবসায়িক ও স্টুডেন্ট ভিসার যাত্রীদের বন্ধ করে দেয় ভারতের পেট্রাপোল ইমিগ্রেশন। ওইদিন সকাল থেকে পেট্রাপোল ইমিগ্রেশন ব্যবসায়িক, স্টুডেন্ট ও বিমানপথের ভিসার যাত্রীদের স্থলপথে না পাঠাতে বেনাপোল ইমিগ্রেশনকে অনুরোধ জানায়।
এর আগে বৃহস্পতিবার বিমানপথের মেডিক্যাল ভিসার যাত্রীদের বেনাপোল বন্দর দিয়ে যাতায়াত বন্ধ করা হয়।
এদিকে হঠাৎ করে ভারতের পেট্রাপোল ইমিগ্রেশনের এমন সিদ্ধান্তে ৯ ডিসেম্বর ভারতে ঢুকতে না পেরে দুই শতাধিক পাসপোর্টধারী যাত্রী ফিরে গেছেন। শুক্র ও শনিবার বিকাল ৩টা পর্যন্ত আনুমানিক একশ জন যাত্রী ফিরে গেছেন।
এ বিষয়ে মেডিক্যাল ভিসার যাত্রী ফরিদ জানিয়েছেন, তিনি চিকিৎসার জন্য ভারতে যেতে স্থলপথের ভিসার জন্য আবেদন করেন। কিন্তু তাকে বাই এয়ারের ভিসা দিয়েছে ভারতীয় দূতাবাস। এখন আর ভারতে ঢুকতে পারছেন না। তবে এর আগে বাই এয়ারের ভিসায় বাই রোডে ভারতে যাওয়া যাচ্ছিল।
অপরদিকে, ব্যবসায়ী ভিসার যাত্রী রহমত জানিয়েছেন, তার ভিসায় বাই রোড বা বাই এয়ার লেখা আছে। ভ্রমণের সব শর্ত মেনেছেন। তারপরেও বেনাপোল বন্দর হয়ে ভারতে যেতে পারেননি।
যাত্রী আসমা বেগম জানান, বর্তমানে ঢাকা থেকে বিমানে কলকাতা যেতে জনপ্রতি ২০ হাজার থেকে ২২ হাজার টাকা ভাড়া। তারপরও আগামী এক সপ্তাহের টিকিট পাওয়া যাচ্ছে না। একদিকে চিকিৎসার টাকা। অপরদিকে বিমানভাড়া। এত টাকা জোগাড় করা অসম্ভব।
এ বিষয়ে বেনাপোল ইমিগ্রেশনের ওসি মো. রাজু বলেন, ‘হঠাৎ করে ব্যবসায়িক, স্টুডেন্ট ও এয়ারের ভিসায় যাত্রীরা ভারতে ঢুকতে পারছে না। তবে যাদের ভিসায় বাই রোড/বাই এয়ার লেখা আছে তারা ভারতে যেতে পারছেন।’
এদিকে বেনাপোল ইমিগ্রেশন স্বাস্থ্য বিভাগের মেডিক্যাল অফিসার শুভাশীষ রায় বলেছেন, ভারত থেকে ফিরতে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে পরীক্ষা করা করোনার নেগেটিভ সনদ লাগছে। তবে যাদের করোনার ডাবল ডোজ টিকা গ্রহণ করা নেই, তাদের বাড়িতে ফিরে ১৪ দিন হোম কোয়ারেন্টিনে থাকতে হবে। এ ছাড়া যাদের শরীরে করোনা উপসর্গ আছে তাদের র্যাপিড অ্যান্টিজেন পরীক্ষা করা হচ্ছে। গত মঙ্গলবার থেকে এ পর্যন্ত সন্দেহভাজন ১২ জনের নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে। তবে তারা সবাই করোনা নেগেটিভ ছিলেন।








