বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট ঘূর্ণিঝড় ‘সিত্রাং’ যতই উপকূলের দিকে এগিয়ে আসছে ততই আতঙ্ক বাড়ছে। সোমবার (২৪ অক্টোবর) বিকাল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত এটি বাগেরহাটের মোংলা বন্দর থেকে ৩৬৫ কিলোমিটার দূরে অবস্থান করছে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অফিস।
এর প্রভাবে বাতাসের গতিবেগ বেড়েছে। মুষলধারে ভারী বৃষ্টিও অব্যাহত আছে। দুপুরের পর থেকে বিচ্ছিন্ন রয়েছে বিদ্যুৎ সংযোগ। নৌবাহিনী ও কোস্টগার্ডের আটটি যুদ্ধ জাহাজ নিরাপদে নোঙর করেছে মোংলা বন্দরের জেটিতে।
মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের হারবার মাস্টার ক্যাপ্টেন শাহীন মজিদ বলেন, বন্দরের ৫ ও ৬ নম্বর জেটিতে নৌ বাহিনীর যুদ্ধ জাহাজ প্রত্যাশা, শৈবাল, অনুসন্ধান, শাপলা, সুরভী ও সৈকত এবং কোস্টগার্ডের কামরুজ্জামান ও মুনসুর আলী নিরাপদে নোঙর করেছে। রবিবার রাত থেকে সোমবার দুপুরের মধ্যে এসব জাহাজ নোঙর করে। এ ছাড়া বন্দরে অবস্থানরত ১৩টি বিদেশি বাণিজ্যিক জাহাজও পশুর নদীর বিভিন্ন স্থানে নিরাপদে নোঙর করেছে।
তিনি আরও বলেন, ঘূর্ণিঝড় সিত্রাংয়ের প্রভাবে বন্দরের সব কার্যক্রম বন্ধ রাখা হয়েছে। ২৪ ঘণ্টার জন্য একটি কন্ট্রোল রুম খোলা রাখা আছে। প্রস্তুত রয়েছে একটি মেডিক্যাল টিমও।
মোংলা আবহাওয়া অফিসের ইনচার্জ অমরেশ চন্দ্র ঢালী জানান, ঘূর্ণিঝড় কেন্দ্রের ৫৪ কিলোমিটারের মধ্যে বাতাসের একটানা সর্বোচ্চ গতিবেগ ঘণ্টায় ৬২ কিলোমিটার। যা দমকা হাওয়া বা ঝোড়ো হাওয়া আকারে ৮৮ কিলোমিটার পর্যন্ত বৃদ্ধি পাচ্ছে। সকাল ৬টা থেকে দুপুর ৩টা পর্যন্ত ১২১ মিলিমিটার বৃষ্টি রেকর্ড করা হয়েছে। এ ছাড়া ঘূর্ণিঝড় কেন্দ্রের নিকটবর্তী এলাকায় সাগর বিক্ষুব্ধ রয়েছে।









