যশোর সদর উপজেলার ইছালী ইউনিয়নের শুড়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের তিনতলা ভবনের উদ্বোধন ও সুধী সমাবেশে যশোর-৩ আসনের সংসদ সদস্য কাজী নাবিল আহমেদ বলেছেন, ‘যশোরের উন্নয়নের যাত্রা অব্যাহত রাখতে ছয়টি আসনেই নৌকাকে বিজয়ী করে জননেত্রী শেখ হাসিনাকে উপহার দিতে হবে। নৌকা বিজয়ী হলে দেশ ও জাতি নিশ্চিত নিরাপদ থাকবে। অর্থনীতিতে সিঙ্গাপুর ও মালয়েশিয়াকেও ছাড়িয়ে যাবে। দেশে চিরতরে সন্ত্রাস, চোরাকারবারি, মাদক ব্যবসায়ীদের কবর রচনা হবে।’
বুধবার (১১ অক্টোবর) শুড়া মাধ্যমিক বিদ্যালয় মাঠে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, ‘উন্নয়ন কর্মকাণ্ড অব্যাহত থাকলে বিএনপির উসকানিতে কেউ খারাপ পথে আর যেতে পারবে না। বিএনপির নেতৃত্বে কতিপয় বিপথগামী ধ্বংসাত্মক পথে ধাবিত হয়। ওদের সমূলে ধ্বংস করা হবে। দেশে বিএনপির ভোট নষ্ট হয়ে গেছে। সাধারণ মানুষ কেউ বিএনপিকে পছন্দ করে না।’
বিএনপির শাসনামলের কথা উল্লেখ করে এমপি নাবিল বলেন, ‘বিএনপির আমলে সংখ্যালঘুদের সীমাহীন নির্যাতন করা হয়েছে। পুকুর লুট হয়েছে, জমি দখল হয়েছে। মেয়েদের ওপর বর্বর অত্যাচার চলেছে। সেখান থেকে দেশ এখন ভালো পথে চলে এসেছে। তাই বিএনপির মিষ্টি কথায় দেশবাসী আর ভুলবে না। সাধারণ মানুষ দেশ ও জাতির স্বার্থে শেখ হাসিনাকে ক্ষমতায় রাখার বিকল্প ভাবছে না।’
তিনি আরও বলেন, ‘শেখ হাসিনা সর্বদা প্রান্তিক মানুষের জন্য কাজ করেন। তার প্রমাণ হিসেবে শুধু যশোর সদর উপজেলাতেই দুই হাজার কোটি টাকা ব্যয়ে বিভিন্ন গ্রামীণ সড়ক পাকা করেছেন। ২০০টির ওপরে স্কুল, কলেজ ও মাদ্রাসার নতুন ভবন করে দিয়েছেন। সামাজিক বেষ্টনীর আওতায় ভুক্তভোগী মানুষ বয়স্কভাতা, বিধবাভাতা, স্বামী পরিত্যক্তা ভাতা, মাতৃত্বকালীন ভাতা, মুক্তিযোদ্ধা ভাতাসহ ১৯০ ধরনের ভাতা পাচ্ছেন।’
দেশবাসীর একমাত্র আস্থার ঠিকানা শেখ হাসিনা উল্লেখ করে কাজী নাবিল আহমেদ বলেন, ‘শেখ হাসিনা ছাড়া দেশবাসী কাউকে বিশ্বাস করে না। যারা ঘুমন্ত মানুষকে হত্যা করতে পারে, দেশবাসী তাদের কখনও ক্ষমতায় আনবে না।’
সুধী সমাবেশে আরও বক্তব্য রাখেন জেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি মেহেদী হাসান মিন্টু, উপপ্রচার সম্পাদক লুৎফুল কবির বিজু, সদর উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান আনোয়ার হোসেন বিপুল, জেলা যুবলীগের প্রচার সম্পাদক ও পৌর কাউন্সিলর শেখ জাহিদ হোসেন মিলন, পৌর কাউন্সিলর মোকছিমুল বারী অপু, জেলা যুব মহিলা লীগের সভাপতি মঞ্জুন্নাহার নাজনীন সোনালী ও ইছালী ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি তোফাজ্জেল হোসেন।
জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক এস এম আফজাল হোসেনের সভাপতিত্বে ও যুবলীগ নেতা মাজহারুল ইসলাম মাজহারের সঞ্চালনায় এ সময় উপস্থিত ছিলেন জেলা যুবলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শেখ রফিকুল ইসলাম রফিক, স্বাস্থ্য সম্পাদক মারুফ হোসেন বিপুল, ত্রাণ সম্পাদক কাজী তৌফিকুল ইসলাম শাপলা, দফতর সম্পাদক হাফিজুর রহমান, ফতেপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান শেখ সোহরাব হোসেন, শহর আওয়ামী লীগ নেতা শাহাজান কবির শিপলু প্রমুখ।









