বাগেরহাটের ৯টি উপজেলার ৭৪টি ইউনিয়নের মধ্যে ৩৪টিতে প্রতীক বরাদ্দের আগেই আওয়ামী লীগের প্রার্থীরা বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছে। ভোট ছাড়াই বাগেরহাটের মোল্লাহাট ও চিতলমারী উপজেলার ১৩টির মধ্যে সব কটি, বাগেরহাট সদরের ১০টির মধ্যে ৯টি, কচুয়ায় ৭টির মধ্যে ৪টি, মোড়েলগঞ্জের ১৬টির মধ্যে ৩টি, রামপালে ১০টির মধ্যে ২টি, ফকিরহাটে ৮টির মধ্যে ২টিতে ও মংলার সোনাইতলায় ১জন বিনা প্রতিন্দন্দ্বিতায় আওয়ামী লীগ প্রার্থীরা বিজয়ী হওয়ার পথে।
প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের মনোনয়নপত্র দাখিল করতে না দেওয়া, জীবননাশের হুমকি দিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারে বাধ্য করা এবং কয়েকটি ইউনিয়নে অন্য প্রার্থীদের মনোনয়নপত্র বাতিল হওয়ায় আওয়ামী লীগের এই ৩৩ প্রার্থী ভোট ছাড়াই বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হচ্ছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।
বাগেরহাট জেলার চিতলমারী উপজেলার বড়বাড়ীয়া, কলাতলা, হিজলা, শিবপুর, চিতলমারী সদর, চরবানিয়ারী ও সন্তোষপুর এই ৭টি ইউনিয়নের সবকটিতে ভোটের আগেই আওয়ামী লীগের প্রার্থীরা বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন।
মোল্লাহাট উপজেলার ৭টি ইউনিয়নের মধ্যে গাংনী ইউনিয়ন পরিষদের মেয়াদ পূর্ণ না হওয়ায় সেখানে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হচ্ছে না। বাকি ৬টি ইউনিয়ন উদয়পুর, চুনখোলা, কুলিয়া, গাওলা, কোদালিয়া ও আটজুড়িতে আওয়ামী লীগের একক প্রার্থী হিসেবে তারা বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন।
ফকিরহাট উপজেলার ৮টি মধ্যে ২টি ফকিরহাট সদর ও মূলঘর ইউনিয়নে, বাগেরহাট সদরের ১০টির মধ্যে একমাত্র ষাটগুম্বজ ইউনিয়ন ছাড়া সবকটিতে, কচুয়ায় ৭টির মধ্যে ৪টিতে কচুয়া সদর, বাধাল, ধোপাখালী ও গজালীয়া, মোড়েলগঞ্জের ১৬টি মধ্যে ৩টি পঞ্চকরন, তেলিগাতি ও চিড়াখালী, রামপালে ১০টির মধ্যে ২টি মল্লিকেরবেড় ও পেড়ীখালী ইউনিয়নে নৌকা প্রতীক বরাদ্দের আগেই আওয়ামী লীগ প্রার্থীরা বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছে।
বাগেরহাট জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মো. রুহুল আমিন মল্লিক বলেন,‘প্রার্থিতা প্রত্যাহারের সময় শেষ হওয়ার পর স্ব-স্ব রিটার্নিং কর্মকর্তা বিনা প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের নির্বাচিত ঘোষণা করতে পারবেন।’
/জেবি/ এএইচ/








