প্রথম ধাপের উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে অংশ নিয়ে ঝিনাইদহের কালীগঞ্জে জামানত হারিয়েছেন ৪ প্রার্থী। তারা হলেন- আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাংগঠনিক সম্পাদক মতিয়ার রহমান মতি (মোটরসাইকেল), উপজেলা যুবলীগের সেক্রেটারী জাহাঙ্গীর হোসেন সোহেল (টেলিফোন), এমদাদুল হক সোহাগ (কাপ-পিরিচ), সাবেক আওয়ামী লীগ নেতা রাশেদ শমশের (হেলিকপ্টার)।
কালীগঞ্জ উপজেলা নির্বাচন অফিসার রশিদুল আলম বলেন, নির্বাচনে ১১টি ইউনিয়ন ও পৌরসভা এলাকায় ভোট কেন্দ্র ছিল ৯১টি। কালীগঞ্জ উপজেলায় মোট ভোটার ২ লাখ ৪৪ হাজার ৯২৪ জন। তার মধ্যে পুরুষ ভোটার ১ লাখ ২৪ হাজার ৩২৯ জন এবং মহিলা ভোটার ১ লাখ ২০ হাজার ৫৯২ জন। নির্বাচনে প্রাপ্ত ভোটের সংখ্যা ৬৩ হাজার ১১৬টি।
নির্বাচনে ভোট পড়েছে ২৫ দশমিক ৭৭ শতাংশ। নির্বাচন কমিশনের আইন অনুযায়ী, প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর প্রাপ্ত ভোট যদি মোট প্রদত্ত ভোটের ১৫ শতাংশের কম হয় তাহলে সেসব প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত হবে। হিসাব করে দেখা গেছে, মোট প্রদত্ত ভোট ৬৩ হাজার ১১৬। বিধি মোতাবেক ১৫ শতাংশ হিসাবে একজন প্রার্থীকে ন্যূনতম ৯ হাজার ৪৬৭.৪টি ভোট পেতে হবে। সে ক্ষেত্রে কালীগঞ্জ উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে ৪ জন হেভিওয়েট চেয়ারম্যান প্রার্থী ৯ হাজার ভোটের ধারেকাছেও পৌঁছাতে পারেননি।
জামানত হারানো প্রার্থী আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাংগঠনিক সম্পাদক মতিয়ার রহমান মতি মোটরসাইকেল প্রতীকে ৫ হাজার ৫৭২ ভোট পেয়েছেন। যুবলীগের সেক্রেটারী জাহাঙ্গীর হোসেন সোহেল টেলিফোন প্রতীকে ৪ হাজার ৮১৮ ভোট, ব্যবসায়ী এমদাদুল হক সোহাগ কাপ-পিরিচ প্রতীকে ৩ হাজার ৬২৩ ভোট ও সাবেক আওয়ামী লীগ নেতা রাশেদ শমশের হেলিকপ্টার প্রতীকে ৩ হাজার ৫১৯ ভোট পেয়েছেন। নির্বাচনী নিয়ম অনুযায়ী এই ৪ চেয়ারম্যান প্রার্থী তাদের জামানত হারিয়েছেন।
আগের বিধিমালায় নির্বাচনে প্রদত্ত ভোটের ৮ ভাগের ১ ভাগের কম পেলে জামানত বাজেয়াপ্ত হতো। এ ক্ষেত্রে প্রদত্ত ভোটের সাড়ে ১২ শতাংশের কম পেলে জামানত বাজেয়াপ্ত হতো। সংশোধিত বিধিমালা এটি ১৫ শতাংশ হয়েছে।
উল্লেখ্য, বুধবার (৮ মে) প্রথম ধাপের উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ থেকে চেয়ারম্যান পদে ৫ জন, ভাইস চেয়ারম্যান পদে ৩ জন ও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে ২ জনসহ মোট ১০ জন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন।









