যশোরে আদালত চত্বরে বিক্ষোভ করেছেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতাকর্মীরা। সোমবার (২৩ ডিসেম্বর) দুপুর ১টার দিকে বিক্ষোভ করেন তারা। এ সময় তারা আওয়ামী ফ্যাসিস্টের দোসরদের প্রতিহতের ঘোষণা দেন।
শিক্ষার্থীরা জানান, গতকাল রবিবার (২২ ডিসেম্বর) যশোরের জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে আওয়ামী লীগের ১৬৭ জন নেতাকর্মী বিস্ফোরকসহ বিভিন্ন মামলায় আত্মসমর্পণ করে জামিন আবেদন করেন। এ সময় তারা আদালতের সিঁড়িতে আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনার নাম উল্লেখ করে স্লোগান দেয়।
বিষয়টি গণমাধ্যমে প্রকাশের পর আজ দুপুরে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতাকর্মীরা আদালত চত্বরে এসে বিক্ষোভ করেন। এ সময় তারা আদালত চত্বরে অস্থিতিশীল পরিবেশ সৃষ্টিকারী আওয়ামী ফ্যাসিস্টের দোসরদের প্রতিহতের ঘোষণা দেন।
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন যশোরের আহ্বায়ক রাশেদ খান বলেন, ‘আওয়ামী দোসররা আদালত চত্বর অস্থিতিশীল করতে গতকাল (রবিবার) স্লোগান দিয়েছে। আওয়ামী লীগ সরকার বিগত বছরগুলোতে গায়ের জোরে বিচারহীনতার সংস্কৃতি তৈরি করেছিল। ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানেই আওয়ামী লীগ সরকার বিতাড়িত হয়েছে। কিন্তু তাদের সেই স্বভাবটা এখনও থেকে গেছে। তারা আদালত চত্বরে দলীয় স্লোগান দিয়ে অস্থিতিশীল পরিবেশ সৃষ্টির চেষ্টা করেছে। তারা মনে করছে, আগের মতো আদালতকে ব্যবহার করবে। কিন্তু তাদের সেই ভুল ধারণা ভাঙতে আমরা আজ আদালতে বিক্ষোভ করছি। আওয়ামী লীগ সরকার ও তার দোসররা বিগত সময়ে যে অপরাধ করেছে তার বিচার হবে। তাদের সকল অপচেষ্টার দাঁতভাঙা জবাব দিতে ছাত্ররা রাজপথে আছে এবং থাকবে।’
এদিকে, বিক্ষোভ চলাকালে যশোর জেলা আইনজীবী সমিতির নবনির্বাচিত সাধারণ সম্পাদক এম এ গফুর ছাত্রদের সঙ্গে সংহতি প্রকাশ করেন।
তিনি বলেন, ‘গতকাল আওয়ামী ফ্যাসিস্টের দেড় শতাধিক নেতাকর্মী ও আইনজীবীরা আদালত চত্বরে অস্থিতিশীল পরিবেশ তৈরি করে। তারা বর্তমান সরকারের পতনের লক্ষ্যে যশোর থেকে আন্দোলন শুরুর চেষ্টা করছে। কিন্তু আমাদের ছাত্র-জনতা বসে নেই। আজ তারা প্রতিবাদ, বিক্ষোভ করেছে। আমরা আইনজীবীরা তাদের সঙ্গে ছিলাম, থাকবো।’









