বাগেরহাটের কচুয়ায় প্রতিদ্বন্দ্বী দুই সদস্য প্রার্থীর সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষের মুন্না ব্যাপারী (১৬) নামে এক স্কুলছাত্র গুলিবিদ্ধ হয়েছে।
অপরদিকে বাগেরহাট সদর উপজেলার বারুইপাড়া ইউনিয়নের কাফুরপুরা গ্রামে নির্বাচন পরবর্তী সহিংসতায় ধারালো অস্ত্র ও লাঠিসোটার আঘাতে তিন নারীসহ অন্তত দশ জন আহত হয়েছেন। আহতদের মধ্যে সাতজনকে রাতে বাগেরহাট সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
মঙ্গলবার রাতে উপজেলার মঘিয়া ইউনিয়নে চর সোনাকুড় প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে ভোট গণনার সময় কেন্দ্রের বাইরে দুই ইউপি সদস্যপ্রার্থী ওলিয়ার ও ইনুর সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষের সময় মুন্না গুলিবিদ্ধ হয়।
গুলিবিদ্ধ এই কিশোর মুন্না ব্যাপারী চর সোনাকুড় গ্রামের কামরুল ব্যাপারীর ছেলে এবং স্থানীয় সি.এস. পাইলট মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণীর ছাত্র।
বাগেরহাট সদর হাসপাতালের জরুরী চিকিৎসা কর্মকর্তা জানান, তার বুকে ছররা গুলির স্প্রিন্টার বিদ্ধ হয়েছে।
গুলিবিদ্ধ মুন্না ব্যাপারীর পরিবারের দাবি, রাত সাড়ে আটটার দিকে মুন্না ঐ কেন্দ্রের সামনে দিয়ে যাচ্ছিলো। এ সময় বিজয়ী ও পরাজিত দুই ইউপি সদস্যপ্রার্থীর সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষ বাধে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করতে পুলিশ গুলি ছুড়লে মুন্না বুকে গুলিবিদ্ধ হয়।
তবে কচুয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. শমসের আলী দাবি করেছেন যে, পুলিশ সেখানে কোনও গুলি ছোড়েনি। দুই প্রার্থীর মাঝে সংঘর্ষের খবর পেয়ে পুলিশ সেখানে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
বাগেরহাট সদরে নির্বাচনি সহিংসতায় আহতরা হলেন কাফুরপুরা গ্রামের পরাজিত ইউপি সদস্যপ্রার্থী হাবিবুর রহমানের পরিবারের আব্দুল জব্বার (৬০), জাহেদা বেগম (৪৫), মঞ্জুয়ারা (৪২), জেসমিন (২৬) ও রাজু (১৬) এবং চিন্তিরখোলা গ্রামের মহানন্দ (২৫)।
বাগেরহাট মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ( ওসি) মিজানুর রহমান জানান, সংঘর্ষের খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। অভিযোগ পেলে ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে। তবে এটি কোন নির্বাচনি সহিংসতা নয় বলে তিনি দাবি করেন।
/এইচকে/







