যশোর বিএনপির নেতারা বলেছেন, ‘আগে শোনা যেত- আমার ভোট আমি দিব, যাকে খুশি তাকে দিব। কিন্তু বর্তমান ক্ষমতাসীনদের স্লোগান- আমার ভোট আমি দিব, তোমার ভোটও আমি দিব!’
৩১ মার্চ অনুষ্ঠিত দ্বিতীয় দফা ইউপি নির্বাচনে শাসকদলের সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের প্রতিবাদে যশোর সদর উপজেলা বিএনপি আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন।
সোমবার সকালে যশোর প্রেসক্লাবে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে নেতারা অভিযোগ করে বলেন, নির্বাচনি তফশিল ঘোষণার পর থেকে ২৭ মার্চ পর্যন্ত যশোরের হৈবতপুর, লেবুতলা, ইছালী, নওয়াপাড়া, উপ-শহর, কাশিমপুর, চুড়ামনকাটি, চাঁচড়া, রামনগর, ফতেপুর, কচুয়া ও বসুন্দিয়াসহ সব ইউনিয়নে বিএনপি প্রার্থী, কর্মী-সমর্থক এমন কি সাধারণ মানুষকে নানাভাবে হুমকি দেওয়া হচ্ছে।
সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, শাসকদলের শীর্ষস্থানীয় নেতারা যখন বিএনপিসহ চার দলের লোকজনকে ভোট কেন্দ্রে যেতে নিষেধ করে উষ্কানিমূলক বক্তব্য দেন, তখন তাদের ক্যাডাররা আরও বেশি উৎসাহ পায়। সেই কারণে তারা একের পর এক তাণ্ডব চালিয়ে যাচ্ছে। ইউনিয়নে ইউনিয়নে বোমাবাজি, পোস্টার-লিফলেট ছিঁড়ে সেগুলো পুড়িয়ে দেওয়া, এজেন্টদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে হুমকি-ধমকিসহ নানা ধরনের অপকর্ম করছে শাসকদলের নেতাকর্মী আর ক্যাডাররা। এ অবস্থায় বিএনপির কর্মীসহ নিরীহ ভোটাররা ভোট কেন্দ্রে যাওয়ার সাহস হারাচ্ছেন বলে দাবি করেন নেতারা।
নেতারা বলেন, ইতোমধ্যে হৈবতপুর, লেবুতলা, নওয়াপাড়াসহ চারটি ইউনিয়নে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা বোমাবাজি ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডসহ বিএনপি নেতাকর্মীদের নামে মামলা দিয়ে নির্বাচনি মাঠ থেকে দূরে সরানোর নয়া কৌশল নিয়েছে।
সংবাদ সম্মেলনে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করে বলা হয়, পুলিশ যদি তাদের দায়িত্ব সঠিকভাবে পালন করে তবে সাধারণ ভোটাররা তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারবেন। আর সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ ভোট হলে যশোর সদরের সিংহভাগ ইউনিয়নে বিএনপির প্রার্থীরা জয় লাভ করবে বলে নেতারা দাবি করেন।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন সদর উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক কাজী আজম। উপস্থিত ছিলেন দলের জেলা কমিটির সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট সৈয়দ সাবেরুল হক সাবু, সাংগঠনিক সম্পাদক দেলোয়ার হোসেন খোকন, নগর বিএনপির সভাপতি মারুফুল ইসলাম মারুফ, সেক্রেটারি মুনীর আহমেদ সিদ্দিকী বাচ্চু, সদর বিএনপির সভাপতি নূর উন নবী প্রমুখ।
/জেবি/







