বাগেরহাটের মংলাপোর্ট পৌরসভার অবসরপ্রাপ্ত কর্মচারীদের পাওনা বেতন-ভাতা পরিশোধ না করা এবং একজন চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারীকে বিধি বহির্ভূতভাবে পদোন্নতি দেওয়ার অভিযোগে মেয়র ও বিএনপি নেতা জুলফিকার আলীকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করেছে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়। সেইসঙ্গে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় ওই পৌরসভার প্যানেল মেয়র-১ কে দায়িত্বভার গ্রহণ করে দৈনন্দিন কার্যক্রম পরিচালনার আদেশ দিয়েছে।
তবে ওই বরখাস্তের আদেশের চিঠি বুধবার দুপুর পর্যন্ত বাগেরহাটে পৌঁছেনি বলে জানিয়েছেন বাগেরহাটের স্থানীয় সরকার শাখার উপ-পরিচালক শফিকুল ইসলাম।
গত ২৮ মার্চ স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের উপ-সচিব মো. আবদুর রউফ মিয়া স্বাক্ষরিত চিঠিতে বলা হয়েছে- মংলা পৌরসভার অবসরপ্রাপ্ত কর নির্ধারক দান্তে সুধাংশু সরদার, স্টোর কিপার নির্মলা ভান্ডার, কার্য সহকারী মো. আবু বকর সিদ্দিক, নিন্মমান সহকারী কাম মুদ্রাক্ষরিক শেখ জাবেদ আলী, কর আদায়কারী মো. নুরুল আমিন, অফিস সহায়ক (এমএলএসএস) মো. আব্দুল মান্নানসহ অন্যান্য অবসরপ্রাপ্ত কর্মচারীদের প্রাপ্য বকেয়া বেতন, ভবিষ্যৎ তহবিল, আনুতোষিক ভাতা, প্রভিডেন্ট ফান্ড ও সকিউিরিটি বাবদ টাকা পাওনা রয়েছে। তাদের ওই পাওনা টাকা পরিশোধের জন্য তাকে একাধিবার আদেশ দেওয়া হলেও তিনি তা পরিশোধ করেননি। এছাড়া তিনি মো শহীদুল ইসলাম নামে এক অফিস সহায়ককে (এমএলএসএস) নিন্মমান সহকারী কাম মুদ্রাক্ষরিকের পদে ক্ষমতার অপব্যবহার করে পদোন্নতি দিয়েছেন। স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের আদেশ উপেক্ষা করে ক্ষমতার অপব্যবহার, অসদাচারণের অপরাধে মংলাপোর্ট পৌরসভার মেয়র জুলফিকার আলীকে স্থানীয় সরকার (পৌরসভা) আইন ২০০৯ এর (৩১) ধারার বিধান অনুযায়ী সাময়িকভাবে বরখাস্ত করা হলো।
এ বিষয়ে মংলাপোর্ট পৌরসভার মেয়র ও পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো. জুলফিকার আলী বলেন, স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয় আমাকে সাময়িক বরখাস্ত করে একটি চিঠি পাঠিয়েছে বলে শুনেছি। ওই চিঠি হাতে পাইনি, হাতে পেলে আমি পরবর্তী আইনি পদক্ষেপ নেব।
/এএইচ/








