ফ্যামিলি কার্ডের নামে প্রতারণার অভিযোগ, ৫২টি এনআইডি উদ্ধার

সাতক্ষীরা প্রতিনিধি
২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১৯:১৭ আপডেট : ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১৯:১৭

সাতক্ষীরার কলারোয়ায় ফ্যামিলি কার্ড দেওয়ার নামে টাকার বিনিময়ে অর্ধশতাধিক নারীর কাছ থেকে এনআইডি ও ছবি সংগ্রহের অভিযোগ উঠেছে।

কলারোয়ায়  উপজেলার কেরালকাতা উত্তরপাড়া গ্রামের আব্দুল মালেকের ছেলে মিলন হোসেনের (৪৫) কাছ থেকে ৫২ নারীর ছবিসহ জাতীয় পরিচয়পত্রের ফটোকপি উদ্ধার করা হয়েছে।

শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি ) সকালে কয়েকজন নারীর কাছ থেকে অভিযোগ পেয়ে তাদের উপস্থিতিতে অভিযুক্ত মিলনের বাড়ি থেকে তাকে জিজ্ঞাসাবাদের এক পর্যায়ে ৫২টি ছবিসহ জাতীয় পরিচয়পত্রের ফটোকপি উদ্ধার করেন স্থানীয় বিএনপি নেতৃবৃন্দ।

ভুক্তভোগীরা অভিযোগ করেন, তাদের কাছ থেকে বিভিন্ন অঙ্কের টাকা নিয়ে ফ্যামিলি কার্ড করে দেবে বলে সম্প্রতি ছবি ও জাতীয় পরিচয়পত্র সংগ্রহ করেন মিলন।

সে সময় সেখানে উপস্থিত কেরালকাতা ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক জহুরুল ইসলাম জানান, একাধিক নারীর কাছ থেকে খবর পেয়ে শনিবার সকালে মিলনের বাড়িতে গিয়ে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করলে একপর্যায়ে সে ৫২টি ছবিসহ এনআইডি কার্ড বের করে দেয় এবং ফ্যামিলি কার্ড করে দেবে বলে এগুলো নিয়েছে বলে শিকার করে।

তিনি আরও জানান, মিলন আওয়ামী লীগ কর্মী। সে প্রতারক চরিত্রের, ইতিপূর্বে হত্যা, মাদকসহ বিভিন্ন মামলার আসামি ও জেলও খেটেছে।

এনআইডি কার্ডগুলো উদ্ধারকালে উপস্থিত হেলাতলা ইউনিয়ন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক সরদার মুনসুর বলেন, আমরা তাকে পুলিশে সোপর্দ করতে চাইলেও স্থানীয় মানুষের অনুরোধে তার পরিবারের জিম্মায় রেখে আসা হয়েছে। এ ঘটনায় বিএনপি নেতা জহুরুল ইসলাম বাদী হয়ে থানায় একটি অভিযোগ করেছেন।

তিনি আরও জানান, অভিযুক্ত মিলন সদ্যসমাপ্ত জাতীয় নির্বাচনে একটি দলের হয়ে কাজ করেছেন বলে জানতে পেরেছি।

এনআইডি কার্ড উদ্ধারকালে কুশোডাঙ্গা ইউনিয়ন বিএনপি সাংগঠনিক সম্পাদক নজরুল ইসলাম, বিএনপি নেতা আব্দুল্লাহসহ অন্যরা উপস্থিত ছিলেন।

কলারোয়া থানার ওসি এইচ এম শাহিন বলেন, আমরা অভিযোগ পেয়েছি। তদন্তপূর্বক ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

এদিকে, এ ঘটনায় উপজেলাজুড়ে আলোচনা-সমালোচনার জন্ম দিয়েছে।

উল্লেখ্য, এখন পর্যন্ত সাতক্ষীরা জেলায় কোন ফ্যামিলি কার্ড দেওয়ার সরকারি নির্দেশনা আসেনি।

/এফআর/
সম্পর্কিত
মাছ চুরির সন্দেহে ব্যবসায়ীকে পিটিয়ে হত্যা
হাসপাতালে যুবককে পিটিয়ে হত্যা মামলায় গ্রেফতার ২, এখনও ফেসবুকে সক্রিয় প্রধান আসামি
মাদকের টাকা না পেয়ে মায়ের ওপর হামলা, ঠেকাতে গিয়ে প্রাণ গেলো কাকির
সর্বশেষ খবর
ইতিহাস গড়ে যোগ দেওয়ার ৬ দিনের মাথায় চাকরি হারালেন ট্রাম্পের প্রেস সচিব
ইতিহাস গড়ে যোগ দেওয়ার ৬ দিনের মাথায় চাকরি হারালেন ট্রাম্পের প্রেস সচিব
বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীর প্রাইভেটকারের ধাক্কায় রিকশাচালক নিহত, আহত ২
বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীর প্রাইভেটকারের ধাক্কায় রিকশাচালক নিহত, আহত ২
আমাদের দলের প্রার্থী পাস না করলে সেই ইউনিয়নে কোনও কাজ হবে না: চিফ হুইপ
আমাদের দলের প্রার্থী পাস না করলে সেই ইউনিয়নে কোনও কাজ হবে না: চিফ হুইপ
মাদক বিক্রি ও সেবনের অভিযোগে ছাত্রদলের দুই নেতাসহ গ্রেফতার ৪
মাদক বিক্রি ও সেবনের অভিযোগে ছাত্রদলের দুই নেতাসহ গ্রেফতার ৪
সর্বাধিক পঠিত
মৃত্যুর ৪ দিন পর দাফন, নাসিমা খানের জানাজায় ছিলেন না বড় কোনও তারকা
মৃত্যুর ৪ দিন পর দাফন, নাসিমা খানের জানাজায় ছিলেন না বড় কোনও তারকা
ডিসির নির্দেশে রাতারাতি বদলে গেলো দেশলাই কাঠির প্রতিমা
ডিসির নির্দেশে রাতারাতি বদলে গেলো দেশলাই কাঠির প্রতিমা
সরকারি মাঠ দখলের অভিযোগ জামায়াত নেতার বিরুদ্ধে, বললেন ‘এখন আমাদের সময়’
সরকারি মাঠ দখলের অভিযোগ জামায়াত নেতার বিরুদ্ধে, বললেন ‘এখন আমাদের সময়’
নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের প্রথম দিনেই সাজেক ভ্রমণে ৫ শতাধিক পর্যটক
নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের প্রথম দিনেই সাজেক ভ্রমণে ৫ শতাধিক পর্যটক
বিএসএফের ধরে নিয়ে যাওয়া ২ পুলিশ সদস্য কেমন আছেন, জানালেন বিজিবি পরিচালক 
বিএসএফের ধরে নিয়ে যাওয়া ২ পুলিশ সদস্য কেমন আছেন, জানালেন বিজিবি পরিচালক