
যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (যবিপ্রবি) নিরাপত্তা প্রহরী মারধরের ঘটনায় গঠিত তদন্ত ৫ শিক্ষার্থীসহ ৬ জনের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার সুপারিশ করেছে। কমিটি এক শিক্ষার্থীকে আজীবন বহিষ্কার, দুই শিক্ষার্থীকে ১ বছরের জন্য বহিষ্কার এবং আরও দুই শিক্ষার্থীকে বিশ্ববিদ্যালয় হল থেকে বহিষ্কারের সুপারিশ করেছে। এছাড়া বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনিয়র নিরাপত্তা প্রহরী বদিউজ্জামান বাদলকে চাকরি থেকে বহিষ্কারের সুপারিশও করেছে।
বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ বিভাগের সহকারী পরিচালক মো. হায়াতুজ্জামান শনিবার জানান, জিইবিটি বিভাগের মাস্টার্সের ছাত্র নাসিরউদ্দীনকে আজীবন, মাইক্রোবায়োলজি বিভাগের ছাত্র কামরুজ্জামান কামাল ও জিইবিটি বিভাগের ৪র্থ বর্ষের ছাত্র মো. রাশিদুজ্জামান রাজনকে এক বছরের জন্য, মাইক্রোবায়োলজি বিভাগের মাস্টার্সের ছাত্র রুমেল পারভেজ ও একই বিভাগের চতুর্থ বর্ষের ছাত্র মো. সাজেদুর রহমান শপুকে বিশ্ববিদ্যালয়ের হল থেকে বহিষ্কারের সুপারিশ করেছে তদন্ত কমিটি।
যবিপ্রবি উপাচার্য অধ্যাপক ড. আব্দুস সাত্তার বলেন, শনিবার বিশ্ববিদ্যালয়ের রিজেন্ট বোর্ডের মিটিংয়ে তদন্ত কমিটির সুপারিশ গ্রহণ করা হয়েছে। অভিযুক্তকে আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ দেওয়ার পর পরবর্তী রিজেন্ট কমিটির মিটিংয়ে এ ব্যাপারে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
গত বছর ১০ ডিসেম্বর রাত ৮টার দিকে যবিপ্রবির এক নিরাপত্তা প্রহরীকে মারধরের ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী এবং গ্রামবাসীর মধ্যে সংঘর্ষ ও ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় উভয়পক্ষের অন্তত ২০ জন আহত হন। হাসপাতালে ভর্তি করা হয় বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনিয়র নিরাপত্তা প্রহরী বদিউজ্জামান বাদলকে। এ ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ একটি তদন্ত কমিটি গঠন করে।
/এসটি/







