শেরপুর জেলা হাসপাতালে বুধবার (৩১ জুলাই ) দুপুর পর্যন্ত আরও চার জন ডেঙ্গু রোগী ভর্তি হয়েছেন। এরা হলো- সুমন মিয়া, তানজিম ইসলাম, সুলায়মান আহমেদ ও রাসেল মিয়া। এরা সবাই ঢাকা থেকে শেরপুরে বাড়ি আসার পর জ্বরে আক্রান্ত হয়ে মঙ্গলবার রাতে জেলা হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। এনিয়ে শেরপুরে এ পর্যন্ত ২১ জন ডেঙ্গু রোগী শনাক্ত হয়েছে। বর্তমানে জেলা হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছেন ১১ জন।
জেলা হাসপতালের মেডিসিন কনসালট্যান্ট ডা. নাদিম হাসান বলেন, ‘ভর্তি ডেঙ্গু রোগীরা সবাই ঢাকা থেকে জ্বরে আক্রান্ত হয়ে শেরপুর আসার পর রক্তের পরীক্ষায় ডেঙ্গু ধরা পড়েছে। গত দুই সপ্তাহে জেলা হাসপাতালে ২১ জন ডেঙ্গু রোগীকে শনাক্ত ও চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।’ শেরপুরে ডেঙ্গু পরীক্ষার সব ধরনের সুবিধা রয়েছে বলেও তিনি জানান।
জেলা হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা (আরএমও) ডা. খাইরুল কবির সুমন বলেন, ‘প্রতিদিনই ডেঙ্গু রোগী শনাক্ত হওয়ায় শেরপুর জেলা হাসপাতালে আলাদা ইউনিট খোলা হয়েছে। বর্তমানে ফ্লুইড ম্যানেজমেন্টের মাধ্যমে ডেঙ্গু রোগীদের চিকিৎসা চলছে। স্থানীয়ভাবে ডেঙ্গু নিয়ে আতঙ্কিত হওয়ার কিছু নেই। তবে সামনে ঈদের সময় ঢাকা থেকে গ্রামের বাড়িতে বেড়াতে আসা লোকজনের চাপ বাড়বে। তখন ডেঙ্গু পরিস্থিতি হয়তো কিছুটা জটিল হতে পারে।’
সিভিল সার্জন অফিসের মেডিক্যাল অফিসার ডা. মো. মোবারক হোসেন বলেন, ‘মানুষের মতো ঢাকা থেকে গাড়ির মাধ্যমে যেন প্রত্যন্ত অঞ্চলে এডিস মশা ছড়িয়ে পড়তে না পারে সে বিষয়ে সতর্ক থাকতে হবে। এজন্য ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা সব গাড়িতে এডিস মশা নিরোধী স্প্রে করা প্রয়োজন।’







