
সিরাজগঞ্জের কামারখন্দ ও শাহজাদপুর উপজেলার প্রত্যন্ত গ্রামে গত ক’দিনে ৩৬ জন অ্যানথ্রাক্স ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন। তাদের চিকিৎসা চলছে। কারও অবস্থা আশঙ্কাজনক নয়।
ওই দুই উপজেলাসহ জেলার অন্যান্য স্থানে সাধারণ লোকজনের মধ্যে অ্যানথ্রাক্স আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়তে পারে এ আশঙ্কায় স্বাস্থ্য বিভাগ বিষয়টি গোপন রেখেছিল। তবে সোমবার খবরটি ফাঁস হয়ে যায়।
শাহজাদপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের স্বাস্থ্য পরিদর্শক আফসার আলী জানান, উপজেলার পোরজনা ও কৈজুরী ইউনিয়নে গত ক’দিনে ১৬ জন অ্যানথ্রাক্স আক্রান্ত রোগীর সন্ধান পাওয়া গেছে। চর কৈজুরী নতুনপাড়ায় একটি অসুস্থ্ গরুর মাংস জবাই ও কাটাকাটির সময় ৯ জন আক্রান্ত হন। তার আগে পোরজনা ইউনিয়নের বড়-বাচরা গ্রামে অসুস্থ্ ছাগল কাটাকাটির সময় ৩ জন আক্রান্ত হন। এছাড়া জয়পুর গ্রামে অসুস্থ্ গরু কাটাকাটির সময় আরও ৪জন আক্রান্ত হন।
আরও পড়ুন: বাবা-মেয়ে হত্যা মামলায় পাঁচজনের বিরুদ্ধে চার্জশিট
সিরাজগঞ্জ সিভিল সার্জন অফিসের সিনিয়র স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ইমান আলী বলেন, জেলার কামারখন্দ উপজেলার জামতৈল ইউনিয়নের শাহপাড়া গ্রামে কয়েকদিন আগে একটি অসুস্থ্ গাভীসহ তিনটি গরু জবাই করা হয়। ওই মাংস কাটাকাটির সময় ২০ জন অ্যানথ্রাক্সে আক্রান্ত হন।
ডা. ফারহানা হকের নেতৃত্বে আইসিডিডিআরবি’র একদল চিকিৎসক কামারখন্দ ও শাহজাদপুরের অ্যানথ্রাক্স আক্রান্ত এলাকায় গিয়ে রক্ত, মাটি এবং অসুস্থ্ গরুর গোয়ালের মাটি ও মলমূত্রসহ অন্য নমুনা সংগ্রহ করেছেন।
/জেবি/এসটি/







