ঝিনাইদহের শ্রী শ্রী রাধামদন মন্দিরের গোসাঁই শ্যামানন্দ দাস হত্যার সঙ্গে শিবির জড়িত বলে জানিয়েছেন ঝিনাইদহ সদর সার্কেল এএসপি গোপিনাথ কানজিলাল। হত্যাকাণ্ডের পর শুক্রবার দুপুরে মোবাইলফোনে বাংলা ট্রিবিউনকে এ তথ্য জানান।
এএসপি জানান, গত ৭ জুন সদর উপজেলার করাতি পাড়া গ্রামের পুরোহিত আনন্দ গোপাল গাঙ্গুলীকে যেভাবে হত্যা করা হয়েছিল ঠিক একই কায়দায় মন্দিরের গোসাঁই শ্যামানন্দ দাসকেও হত্যা করা হয়েছে। আনন্দ গোপাল গাঙ্গুলী হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে এনামুল নামে এক শিবির নেতা জড়িত ছিল। সে শিবিরের উচ্চ পর্যায়ের সদস্য এবং পৌর ২নং ওয়ার্ডের সেক্রেটারি। শিবিরের কেন্দ্রীয় আদেশে তারা ঝিনাইদহের পুরোহিতকে করেছে বলে আদালতে ১৬৪ ধারায় সে জবানবন্দি দিয়েছে। আমরা ধারণা করছি হত্যাকারীরা একই গ্রুপের হবে।
গোসাঁই হত্যাকাণ্ড কোনও বিচ্ছিন্ন ঘটনা কিনা এমন প্রশ্নের জবাবে গোপিনাথ কানজিলাল জানান,এটাকে বিচ্ছিন্ন ঘটনা বলবো না। সারাদেশে এ ধরনের হত্যাকাণ্ড ঘটছে। তারই অংশ হিসেবে এটা ঘটেছে।
একের পর এক এসব হত্যাকাণ্ডের বিষয়ে আইনশৃঙ্খলা অবনতির বিষয়টি তিনি অস্বীকার করে বলেন, ঝিনাইদহে এক সময় মাসে ৩০টি হত্যাকাণ্ডের ঘটনাও ঘটেছে। এখন আইনশৃঙ্খলার অবস্থা অনেক ভালো।
উল্লেখ্য,শুক্রবার ভোর সাড়ে ৬টার দিকে ঝিনাইদহ সদর উপজেলার উত্তর কাষ্টসাগরা গ্রামের শ্রী শ্রী রাধামদন গোপাল মঠ মন্দিরের গোসাঁই শ্যামানন্দ দাসকে কুপিয়ে হত্যা করে দুর্বৃত্তরা।
আরও পড়ুন: আবারও ঝিনাইদহে মন্দিরে গোসাঁইকে কুপিয়ে হত্যা
/এআর/এএইচ/







