খুলনায় সাঈদুর রহমান (২২) নামে এক যুবক সাড়ে ৩ মাস নিখোঁজ রয়েছেন। পরিবারের পক্ষ থেকে ঘটনার ২ মাস পর খালিশপুর থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করা হয়েছে। তার স্ত্রীও ভাড়া বাসা ছেড়ে বাপের বাড়িতে ফিরে গেছেন। পুলিশ এখনও পর্যন্ত তার কোনও সন্ধান পায়নি। নিখোঁজ সাঈদের ৬ মাসের একটি শিশু রয়েছে। সাঈদ খুলনার দৌলতপুর জুট মিলের বদলি শ্রমিক ছিলেন এবং অবসরে শ্যালকের চায়ের দোকানে কাজ করতেন।
নিখোঁজ সাঈদের মা শাহানারা বেগম বলেন, সাঈদ খালিশপুরে তার শ্বশুরবাড়িতে থাকাকালে গত ১৪ এপ্রিল হঠাৎ করে স্ত্রীর সঙ্গে ঝগড়া করে এবং সকাল ১০টার পর থেকে নিখোঁজ হয়। এরপর তিনি বিভিন্ন স্থানে খোঁজ খবর নেন। ফেনী সদরের তার নিজ গ্রামের বাড়িসহ যেখানে আত্মীয়রা থাকেন তাদের সবার কাছেই খোঁজ নেওয়া হয়। কিন্তু সাঈদের খোঁজ না পেয়ে গত ২১ জুন খুলনার খালিশপুর থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেন। এরপর আরও দেড়মাস অতিবাহিত হলেও ছেলের কোনও সন্ধান পাওয়া যায়নি।
খালিশপুর থানার এসআই ও ঘটনার তদন্তকারী কর্মকর্তা আলিমউজ্জামান বলেন, ঘটনার ২ মাস পর ছেলের মা থানায় একটি জিডি করেছেন। কিন্তু সে থাকত শ্বশুরবাড়িতে। জিডি হওয়ার পর উভয় পরিবারের সঙ্গে আলোচনা করা হয়েছে। কিন্তু কেউই এ ব্যাপারে কোনও প্রকার তথ্য দিতে পারছে না।
এর আগে খুলনা থেকে সাত ব্যক্তির নিখোঁজ থাকার খবর পাওয়া গেছে। নিখোঁজেরা হলেন, খালিশপুর এলাকার বাসিন্দা সদর থানার জিন্নাহপাড়া এলাকায় কোচিং সেন্টারের পরিচালক মাসুদ রানা (২৭), মুজগুন্নি কাজীপাড়া এলাকার কাজী আতিয়ার রহমানের ছেলে কাজী মো. শাওন (২৬), মুজগুন্নি এলাকার জহিরুল হকের ছেলে সাইদুর রহমান (১৯), দৌলতপুর থানার পাবলা সবুজ সংঘ মাঠ এলাকার মনির হোসেন (৩৫), মহেশ্বরপাশার মৃত নূর ইসলামের ছেলে জাকির হোসেন (১৭) ও মৃত আব্দুল জব্বারের ছেলে ইলিয়াস মোল্লা (১৫) এবং দৌলতপুর পাবলা কারিকরপাড়ার সাইদুর রহমানের ছেলে খন্দকার সোহেল সুলতান (২৫)।
- সাভারে কলেজ ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগ, যুবক আটক
- দিনাজপুরে জঙ্গি সন্দেহে আটক ৩, গান পাউডার ও ককটেল উদ্ধার
/এমও/







