পদ্মা নদী উত্তাল হওয়ায় মাওয়ার সঙ্গে নদীর দক্ষিণ পাড়ের তিনটি ঘাটের লঞ্চ ও সিবোট চলাচল বন্ধ রাখা হয়েছে। ৮টি ডাম্ব ফেরি চলাচলও বন্ধ করা হয়েছে। বুধবার সকাল থেকে নৌযানগুলোকে চলাচল না করার জন্য নির্দেশ দিয়েছে বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন সংস্থা (বিআইডব্লিউটিসি)।
মাদারীপুর থেকে ঢাকাগামী যাত্রী ইমরানুর রহমান বলেন, লঞ্চ-সিবোট বন্ধ তাই ট্রলারে করে পদ্মা পাড় হয়েছি। খুব ঝুঁকি নিয়ে পদ্মা পার হতে হয়েছে। তারপরও কি আর করা জীবিকার তাগিদে ঢাকা যেতেই হবে।
বিআইডব্লিউটিসির কাওড়াকান্দি ঘাটের ব্যবস্থাপক আব্দুস সালাম বলেন, সকাল থেকে পদ্মা নদী বেশ উত্তাল। নদীতে স্রোতও বেশি। এ কারণে মাওয়ার সঙ্গে কাওড়াকান্দি, কাঠালবাড়ি ও মঙ্গলমাঝি ঘাটের সব লঞ্চ ও সিবোড চলাচল বন্ধ রাখা হয়েছে। এছাড়া ৮টি ডাম্ব ফেরি চলাচলও বন্ধ রাখা হয়েছে। ৪টি রো রো ও ৪টি কে-টাইপ ফেরি দিয়ে যাত্রীবাহী গাড়ি ও যাত্রী পারাপার করা হচ্ছে। এমন পরিস্তিতিতে পণ্যবাহী গাড়ি পারাপার সম্ভব হচ্ছে না। সকাল ১১টার দিকে কাওড়াকান্দি ঘাটে প্রায় পাঁচ শতাধিক পণ্যবাহী ট্রাক পারপারের অপেক্ষায় আছে।
ডুবোচর ও নদী উত্তাল থাকায় ফেরিগুলোকে ঘাটে পৌঁছাতে দীর্ঘ সময় লাগছে। আগে নদী পার হতে একটি ফেরির এক ঘণ্টা ১৫ মিনিট সময় লাগত। এখন দুই ঘণ্টা ১৫ মিনিট সময় লাগছে।
লঞ্চ মালিক সমিতির মঙ্গলমাঝি ঘাটের ব্যবস্থাপক মোকলেছ মাদবর বলেন, প্রতিদিন এ পারের তিনটি ঘাট থেকে ৮৭টি লঞ্চ ও ছয় শতাধীক সিবোট মাওয়ায় যাওয়া আসা করে। বুধবার সকাল থেকে নৌযানগুলো বন্ধ রাখার ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। ফলে চারটি ঘাটের হাজার হাজার যাত্রী আটকা পরেছে।
/জেবি/
আরেও পড়তে পারেন : বাঘাইছড়িতে অস্ত্র ও গুলিসহ সন্ত্রাসী আটক








