নীলফামারীর ডিমলা উপজেলায় বন্যার পানি নেমে যাওয়ায় ২৮৮ হেক্টর আমন খেত ও ৩৫ হেক্টর বীজতলা নষ্ট হয়ে গেছে।এছাড়া প্রায় ২০ হাজার মানুষ খাদ্য, ওষুধ ও চিকিৎসার অভাবে চরম দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন।
এদিকে বন্যায় গত এক মাস ধরে ডিমলা উপজেলার হাজারো মানুষ কোনওরকম দিন কাটাচ্ছে তিস্তার বাঁধ, স্পার বাঁধসহ আশপাশের উঁচু স্থানে। পানি উন্নয়ন বোর্ডের অবহেলায় জিরো পয়েন্টে প্রায় ১৮শ মিটার বাঁধের অভাবে ভয়াবহ বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে ডিমলা ও জলঢাকা উপজেলার আট ইউনিয়নের বাসিন্দা।
ডিমলা উপজেলার টেপাখড়িবাড়ী ইউনিয়নের ঝিঞ্জির পাড়া এলাকার মজিবর রহমান (৬৫) একই এলাকার মোসলেম উদ্দিন (৪৫) ও চড়খড়িবাড়ী গ্রামের সোলায়মান আলী (৬২) বলেন, বন্যার পানিতে আমাদের সবকিছু তলিয়ে গেছে,বেঁচে আছে শুধু জীবনটা।
এছাড়া বন্যায় জমি-জমা আমন ক্ষেত পানিতে নষ্ট হওয়ায় উপার্জনের পথও বন্ধ হয়ে গেল।
কৃষি দফতর সূত্র জানায়, সম্প্রতি বন্যায় নীলফামারী জেলার ডিমলা উপজেলায় চলতি আমন মৌসুমে ২৮৮ হেক্টর জমির আমন খেত ও ৩৫ হেক্টর জমির বীজতলা নষ্ট হয়েছে। বন্যা কবলিত তিন ইউনিয়নে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে ২ হাজার ১৫০ জন কৃষক।
ডিমলা উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা হুমায়ুন কবির জানান, সবচেয়ে বেশী ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে টেপাখড়িবাড়ী, ঝুনাগাছ চাপানী ও খালিশা চাপানী ইউনিয়নের কৃষক ও জেলেরা।
তিনি আরও জানান,দ্রুত তালিকা প্রণয়নের কাজ শেষ করে তাদের পুর্নবাসনের কাজ শুরু হবে।
আরও পড়ুন: জয়পুরহাটে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ মাদক ব্যবসায়ী গুলিবিদ্ধ
/এআর/






