ঈদুল আজহার আগে-আগে বেনাপোলে মশলার দাম বেড়ে গেছে। মাত্র এক সপ্তাহের ব্যবধানে সেখানে এলাচ, লবঙ্গ, দারুচিনি আর গোলমরিচের দাম কেজিতে বেড়েছে ৫০ থেকে ৮০ টাকা। তবে অন্যান্য নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম হেরফের হয়নি।
বাজার ঘুরে দেখা গেছে, জিরার দাম কেজিতে বেড়েছে ৩০ টাকা। শনিবার খুচরা দোকানগুলোতে এক কেজি এলাচ বিক্রি হয়েছে ১৪০০ টাকায়। এক কেজি লবঙ্গের দাম ছিল ১২০০ টাকা। গোলমরিচের কেজি ছিল ১১০০ টাকা। দারুচিনি ২৮০ টাকা আর জিরার কেজি ছিল ৩৮০ টাকা। রসুন বিক্রি হয়েছে প্রতি কেজি ১৭০ থেকে ২২০ টাকায়।
নাভারণ ও শার্শার বাজারে বড় ইলিশ ছাড়া অন্যান্য মাছের দাম স্থিতিশীল রয়েছে। শনিবার এক কেজি ওজনের ইলিশ বিক্রি হচ্ছে ১১০০ টাকায়। যা গত সপ্তাহে ছিল ৯০০ টাকা। এক কেজির চেয়ে কম, এমন ওজনের ইলিশের দাম এক সপ্তাহ ধরে অপরিবর্তিত রয়েছে।
অন্যান্য নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের দাম গত এক সপ্তাহে অপরিবর্তিত রয়েছে। শনিবার দেশি পেঁয়াজের কেজি ছিল ৪০ টাকা, হাইব্রিড ২৫ টাকা আর আমদানি করা পেয়াজের কেজি ছিল ২০ টাকা। দেশি আদা বিক্রি হয়েছে ১৩০ টাকায়। দেশি রসুন বিক্রি হয়েছে ১৭০ টাকায়, আমদানিকৃত রসুন ২২০ টাকা আর শুকনো মরিচ বিক্রি হচ্ছে ২৪০ টাকায়।
মুরগির বাজার ঘুরে দেখা গেছে, শনিবার দেশি মুরগি বিক্রি হয়েছে ৩৫০ টাকা কেজি, ফার্মের সোনালী ২৪০ টাকা, লেয়ার ১৯০ টাকা, কক ২২০ টাকা আর ব্রয়লার বিক্রি হয়েছে ১৪০ টাকা কেজি। গরু ও খাসির মাংসের দাম অপরিবর্তিত রয়েছে।
বেনাপোল চেকপোস্ট ব্যবসায়ী মাসুম বলেন, ‘মশলার দাম এত বেড়েছে, যা আগে কখনও দেখা যায়নি। খেটে খাওয়া লোকজন এবার মশলা কিনতে পারবে কিনা, সন্দেহ আছে।’ বাজার মনিটরিং না থাকায় পাইকাররা নিজেদের মতো করে দাম বাড়িয়ে দিয়েছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।
/এআরএল/
আরও পড়ুন:








