ধামরাই আওয়ামী লীগের স্থানীয় সাংসদ এম এ মালেক ও পৌরসভার মেয়র গোলাম কবির গ্রুপের মধ্যে দ্বন্দ্বের কারণে রঙ হারালো ‘উল্টো রথযাত্রা’র উৎসবের। ঝামেলা এড়াতে উৎসবের সমাপনী পর্ব ‘টান দেওয়া’ অংশটি কোনোমতে সম্পন্ন করার সিদ্ধান্ত হয় বলে উৎসব কমিটির পক্ষ থেকে জানানো হয়।
এ ব্যাপারে ধামরাই উপজেলা পুজা উদযাপন পরিষদের সাধারণ সম্পাদক নন্দ গোপাল সেন বলেন, ‘আওয়ামী লীগের দুই গ্রুপের দ্বন্দ্বের কারণে মেলা বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। আবার জঙ্গি হামলার আশঙ্কাও করা হচ্ছে।’
তবে ধামরাইয়ের সাংসদ সদস্য এম এ মালেকের দাবি, ‘পৌর মেয়র রথ উৎসবকে নষ্ট করার জন্য বিভিন্ন অপকৌশল অবলম্বন করেছেন।’
অভিযোগ অস্বীকার করে পৌরপৌরসভার মেয়র গোলাম কবির বলেন, ‘স্থানীয় সাংসদের সঙ্গে তার কোন্দল থাকায় বিষয়টি আমার চাপানো হচ্ছে।’
জঙ্গি হামলার সম্ভাবনার বিষয়ে ব্যাপারে সাভার সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি) মাহবুবুর রহমান বলেন, ‘জঙ্গি হামলার আশঙ্কা থেকেই অতিরিক্ত নিরাপত্তাব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। সোমবার (৩ জুলাই) সকালের পর থেকে রথযাত্রার পুরো এলাকা ঘিরে ফেলে পুলিশ। প্রতিটি সড়কের সামনে বসানো হয়েছে চেকপোস্ট। উৎসবে আসা সবাইকে তল্লাশি করা হয়।’
সোমবার দুপুরের দিকে র্যাবের ডগ স্কোয়াডসহ বোম্ব ডিসপোজাল ইউনিটের একটি দলও ঘটনাস্থলে পৌঁছায় বলে জানান তিনি।
সনাতন-ধর্মাবলম্বীদের দাবি, রথ উৎসবের প্রাণ হচ্ছে মেলা। অথচ ‘উল্টো রথ’ হওয়ার আগেই পুলিশ তাদের মেলা বন্ধ করে দিয়েছে। মানুষের মনে আনন্দ নেই।
আষাঢ় মাসের দ্বিতীয় শুক্লা তিথিতে শুরু হয় এ উৎসব, আর একাদশীতে প্রত্যাবর্তন, অর্থাৎ রথটি প্রথম দিন যেখান থেকে টেনে নেওয়া হয়, আট দিন পর আবারও সেখানে ফিরিয়ে আনা হয়। একেই বলে ‘উল্টোরথ টান দেওয়া’।
/এএইচ/এসএমএ/







