দিনাজপুর-১ আসনের সংসদ সদস্য মনোরঞ্জন শীল গোপালবঙ্গবন্ধুর নাম বদলে নিজের নামে কলেজের নামকরণ করা এবং বঙ্গবন্ধুর ছবি অবমাননার অভিযোগে দিনাজপুর-১ আসনের সংসদ সদস্য মনোরঞ্জন শীল গোপালের বিরুদ্ধে দায়ের করা দ্বিতীয় মামলাটিও খারিজ করে দিয়েছেন আদালত। এর আগে, গত বৃহস্পতিবার (২৮ সেপ্টেম্বর) এই সংসদ সদস্যের বিরুদ্ধে দায়ের করা অন্য একটি মামলা খারিজ হয়েছিল। দিনাজপুর চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের সহকারী সরকারি কৌঁসুলি (এপিপি) মিন্টু কুমার পাল এ তথ্য জানিয়েছেন।
গত বুধবার (২৭ সেপ্টেম্বর) সকালে দিনাজপুর সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত-২-এ দুইটি মামলা দায়ের করা হয় দিনাজপুর-১ (বীরগঞ্জ-কাহারোল) আসনের সংসদ সদস্য মনোরঞ্জন শীল গোপালের বিরুদ্ধে। সোমবার (২ অক্টোবর) বিকালে দিনাজপুর সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আমলি আদালত-২-এর বিচারক লুৎফর রহমান দণ্ডবিধি আইনের ৫০০/৫০১ ধারায় দায়ের করা মামলাটি ২০৩ ধারায় খারিজ করে দেন। এর আগে, গত বৃহস্পতিবার জাতির পিতার প্রতিকৃতি সংরক্ষণ ও প্রদর্শন আইন ২০০১-এর ৪ ধারায় দায়ের করা অভিযোগ প্রত্যাহারের আবেদন করলে বিচারক মামলার বাদীর জবানবন্দি গ্রহণ শেষে ২৪৮ ধারায় অভিযোগটি খারিজ করেন।
মামলা খারিজের পর সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলছেন এপিপি মিন্টু কুমার পালমামলা খারিজের পর দিনাজপুর চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের এপিপি মিন্টু কুমার পাল সাংবাদিকদের বলেন, ‘এই ধরনের মামলা বা অভিযোগ ভুল, অনভিপ্রেত ও অনাকাঙ্ক্ষিত। উদ্দেশ্যপ্রণোদিত হয়ে তার বিরুদ্ধে মামলা দু’টি দায়ের করা হয়েছিল।’
সংসদ সদস্য মনোরঞ্জন শীল গোপালের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা দু’টি দায়ের করেছিলেন বীরগঞ্জ উপজেলা যুবলীগের কার্যকরী সদস্য অজিবুল ইসলাম। এসব মামলার অভিযোগে বলা হয়, সংসদ সদস্য মনোরঞ্জন শীল গোপাল ক্ষমতার অপব্যবহার করে বীরগঞ্জ থানার ২নং পলাশবাড়ী ইউনিয়নে অবস্থিত বঙ্গবন্ধু মহাবিদ্যালয়ের নাম পরিবর্তন করে নিজের নামে নামকরণ করেন। একইসঙ্গে তিনি কলেজের সামনে থেকে বঙ্গবন্ধুর ছবি সম্বলিত সাইনবোর্ডও সরিয়ে ফেলেন। এর মাধ্যমে তিনি বঙ্গবন্ধুকে অবমাননা করেছেন। বিষয়টি নিয়ে স্থানীয় আওয়ামী লীগের দুই পক্ষেরও পরস্পরবিরোধী বক্তব্য পাওয়া গেছে।
আরও পড়ুন-
টাঙ্গাইলে অপহরণের ৩৬ ঘণ্টা পর শিশু উদ্ধার: আটক তিন







