স্থানীয় এক যুবলীগ নেতাকে গুলি করে আহত করার ঘটনায় চট্টগ্রাম উত্তর জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য মঞ্জুরুল আলমকে আটকের প্রতিবাদে হাটহাজারী বাসস্ট্যান্ড মোড়ে ব্যারিকেড দেয় তার অনুসারীরা। রবিবার (২২ অক্টোবর) সকাল সাড়ে ৯টায় দিকে সড়কে বাস রেখে ব্যারিকেড দিলে চট্টগ্রাম-রাঙ্গামাটি সড়কে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। পরে দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে তাদেরকে সড়ক থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়।
হাটহাজারী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. বেলাল উদ্দিন জাহাঙ্গীর বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, পরিবহন মালিক সমিতির সভাপতি মঞ্জুরুল আলমকে আটকের প্রতিবাদে সকালে সাড়ে ৯টার দিকে সড়ক অবরোধ করে তার অনুসারীরা। আমরা ঘটনাস্থলে গিয়ে তাদেরকে সরিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করি। দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে তাদেরকে সড়ক থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়।
চট্টগ্রাম বাস-মিনিবাস পরিবহন শ্রমিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক মো. হারুন বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘মঞ্জু ভাই গ্রেফতারের ঘটনায় দুপুর ১২টার দিকে আমরা মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি সাবেক মেয়র এবিএম মহিউদ্দিন চৌধুরীর সঙ্গে দেখা করি। তিনি আমাদের আশ্বস্ত করেছেন বিষয়টি মিমাংসা করবেন। তার প্রতিশ্রুতি পেয়ে আমরা অবরোধ প্রত্যাহার করেছি। মঞ্জুরুল আলমকে আজকের (২২ অক্টোবর) মধ্যে ছেড়ে না দিলে আগামীকাল থেকে তারা লাগাতার অবরোধে যাবেন বলে হুঁশিয়ারি দেন।
প্রসঙ্গত, শনিবার রাত ১২টার দিকে নগরীর আউটার স্টেডিয়াম সংলগ্ন অফিসার্স ক্লাবের সামনে জয়নাল নামে এক যুবলীগ নেতাকে গুলি করে আহত করে। জয়নাল আনোয়ারা উপজেলা থেকে নির্বাচিত জেলা পরিষদের সদস্য মো. আলমগীরের ছোট ভাই। এ ঘটনার পরপরই কোতোয়ালি থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মঞ্জুরুল আলমকে আটক করে থানায় নিয়ে যায়।
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মঞ্জুরুল আলম ঠিকাদারি ব্যবসার সঙ্গে জড়িত। মদ্যপান অবস্থায় রাতে তিনি জয়নালকে গুলি করেন বলে জানিয়েছে পুলিশ।








