খ্রিস্টানদের প্রধান ধর্মীয় উৎসব ‘বড়দিন’ উপলক্ষে শ্রীমঙ্গল চার্চ এলাকায় নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করেছে মৌলভীবাজার জেলা পুলিশ। এ কারণে সড়কে চেকপোস্ট বসিয়ে যানবাহনে তল্লাশি চালানো হচ্ছে। পাশাপাশি কঠোর নজরদারি করা হচ্ছে বলে মৌলভীবাজারের পুলিশ সুপার মোহাম্মদ শাহজালাল শনিবার দুপুরে বাংলা ট্রিবিউনকে জানিয়েছেন।
পুলিশ সুপার মোহাম্মদ শাহজালাল বলেন, ‘বড়দিনের নিরাপত্তায় আমাদের পক্ষ থেকে সব ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। বড়দিনকে ঘিরে আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণসহ সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদ দমনে আমারা তৎপর রয়েছি। নির্বিঘ্নে বড়দিনের উৎসব পালনে জন্য আমরা সার্বিক নিরাপত্তা দিয়ে যাবো।’
তিনি আরও বলেন, ‘জেলার সবচেয়ে বড় চার্চ ‘শ্রীমঙ্গল ক্যাথলিক মিশনে’ ঢুকতে হলে চার্চের আর্চওয়ে থাকতে হবে। প্রতিটি দর্শনার্থীকে ভেতরে ঢুকার আগে এই আর্চওয়ে দেখাতে হবে। তল্লাশির ক্ষেত্রে মেটাল ডিটেক্টর ও হাত দিয়ে তল্লাশি করা হবে। সবার প্রতি আমাদের সদয় ব্যবহার থাকলেও পেশাদারিত্বও ক্ষেত্রে কঠোর থাকতে হবে।’
এছাড়াও প্রতিটি চার্চে স্থানীয় ব্যক্তি, জনপ্রতিনিধি ও সামাজিক গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের সমন্বয়ে কমিটি গঠন করে নিরাপত্তার বিষয়টি নিশ্চিত করা হবে বলে তিনি জানান।
শ্রীমঙ্গল ক্যাথলিক মিশনের পাল পুরোহিত ফাদার সুব্রত বনিফাস টলেন্টিনো বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘শ্রীমঙ্গল শহরের ক্যাথলিক মিশন রোডে আমাদের একটি মাত্র ধর্মপল্লী রয়েছে। এর অধীনে জেলার ৭৬টি গ্রাম নিয়ে পুঞ্জি ও চা বাগানে খ্রিস্টভক্তরা আছেন।
শ্রীমঙ্গল উপজেলার ইউএনও মোহাম্মদ মোবাশশেরুল ইসলাম বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘খ্রিস্টান ধর্মাবলম্বীদের প্রধান ধর্মীয় উৎসব ‘বড়দিন উপলক্ষে ধর্মপল্লীর আওতাধীন ৪৭টি গ্রামে ৫০০ কেজি করে সরকারি চাল বিতরণ করা হয়েছে। স্থানীয় সাংসদ উপাধ্যক্ষ আব্দুস শহীদ এমপি নিজে উপস্থিত হয়ে এরইমধ্যে মাগুরছড়া পুঞ্জি ও লাউয়াছড়া পুঞ্জিতে এসব চালসহ বিভিন্ন অনুদান দিয়েছেন।
তিনি আরও বলেন,‘বড়দিন চার্চের আশপাশের এলাকায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তৎপরতাও জোরদার করা হয়েছে।’
আরও পড়ুন: রংপুর সিটি নির্বাচনে গণতন্ত্রের জয় হয়েছে: মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী








