সিলেট মহানগরের খারপাড়ায় দুর্বৃত্তের ধারালো অস্ত্রের আঘাতে নিহত রোকেয়া বেগম লাভলী (৪৫) ও তার ছেলে রবিউল ইসলাম রোকন (১৬) হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় আদালতে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দিয়েছে বেঁচে যাওয়া পাঁচ বছরের শিশু রাইসা।
রবিবার (৮ এপ্রিল) মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ওসি (তদন্ত) রোকেয়া বেগম প্রথমে রাইসাকে সিলেট চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট সাইফুজ্জামান হিরোর আদালতে হাজির করেন। পরে আদালতের নির্দেশে জবানবন্দি নেওয়ার জন্য তাকে সিলেট মহানগর মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট (তৃতীয়) আদালতে নেওয়া হয়।
আদালতের বিচারক হরিপদ কুমার প্রায় সাড়ে ৩ ঘণ্টা সময় ধরে রাইসার সাক্ষ্যগ্রহণ করেন। এ সময় রাইসাকে নিজ জিম্মায় নেওয়ার জন্য আদালতে আবেদন করেন রাইসার খালা লিপি বেগম। তিনি দক্ষিণ সুরমার মোগলাবাজার থানার কুনদিয়াপাড় গ্রামের ফারুক আহমদের স্ত্রী। পরে আদালত রাইসাকে তার খালার জিম্মায় দেন।
আদালত সূত্র জানায়, মা ও ভাইকে হত্যা করার পর ৫ বছরের রাইসাকে গত রবিবার (১ এপ্রিল) খারপাড়ার মিতালি ১৫/জে বাসা থেকে আহত অবস্থায় উদ্ধার করে পুলিশ। এরপর পুলিশ তাকে ভিকটিম সাপোর্ট সেন্টারে নিয়ে রাখে। সেখানে তার দেখাশোনা করেন রাইসার খালা লিপি বেগম। ভিকটিম সাপোর্ট সেন্টার থেকে ৮ দিনের মাথায় রাইসাকে রবিবার (৮ এপ্রিল) ঘটনার একমাত্র প্রত্যক্ষদর্শী হিসেবে সাক্ষ্য নেওয়ার জন্য আদালতে নেয় পুলিশ। সেখানে সাক্ষী হিসেবে তার জবানবন্দি নেন আদালত।
মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ওসি (তদন্ত) রোকেয়া বেগম বলেন, ‘ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী হিসেবে অর্থাৎ সাক্ষী হিসেবে ১৬৪ ধারায় আদালত রাইসার জবানবন্দি নেন। এ সময় কয়েকজনের নামও উল্লেখ করে সে। কীভাবে ঘটনা ঘটেছে, কারা এসেছিলো, সে বিষয়টিও আদালতকে জানায় রাইসা। জবানবন্দি শেষে রাইসাকে তার খালার আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে তাদের জিম্মায় দেওয়া হয়েছে।








