বাংলাদেশ রেলওয়ের কুলাউড়া সেকশনের ঊর্ধ্বতন সহকারী প্রকৌশলী (পথ) মোহাম্মদ এরফানুর রহমানকে বুধবার (৪ জুলাই) দুপুরের দিকে আদালতে হাজির করে রেলওয়ে থানা পুলিশ। এর আগে মঙ্গলবার (৩ জুলাই) ঘুষ গ্রহণকালে হাতেনাতে তাকে আটক করে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।
মৌলভীবাজার আদালতের কোর্ট ইন্সপেক্টর আব্দুল হাই চৌধুরী বাংলা ট্রিবিউনকে এ তথ্য জানিয়েছেন।
মঙ্গলবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে কুলাউড়া রেলস্টেশনের স্টেশন মাস্টারের রুমে রেলওয়ের এক কর্মচারীর কাছ থেকে ঘুষ গ্রহণের সময় তাকে আটক করে দুদক টিম। এরপর রাত সাড়ে ১০ টার দিকে কুলাউড়া রেলওয়ে থানায় এরফানকে হস্তান্তর করে দুদক টিম।
এরফানুর রহমানের বাড়ি ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার আশুগঞ্জ উপজেলার নাওঘাট গ্রামে।
দুদক টিম সূত্রে জানা গেছে, এরফানুর রহমান গত ৫ বছর আগে রেলওয়ের কুলাউড়া সেকশনের ঊর্ধ্বতন সহকারী প্রকৌশলী (পথ) হিসেবে যোগদান করেন। কুলাউড়ায় যোগদান করেই ঘুষ বাণিজ্যে জড়িয়ে পড়েন। তার অধীনস্থ সব কর্মচারীর কাছ থেকে বিভিন্ন দুর্বলতা সুযোগ নিয়ে জিম্মি করে ঘুষ আদায় করতেন। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় রেলের ওয়েম্যান আবুল হোসেনের কাছ থেকে ঘুষ গ্রহণের সময় দুদক হবিগঞ্জের উপ-পরিচালক মলয় কুমার সাহার নেতেৃত্বে ৫ সদস্যের একটি দল তাকে আটক করে। এসময় তার কাছ থেকে ঘুষের ১০ হাজার টাকাসহ হাতেনাতে আটক করা হয়।
মলয় কুমার সাহা জানান, এরফান দীর্ঘ দিন থেকে তার অধীনস্ত কর্মচারীদের কাছ থেকে ঘুষ নিতেন। তাকে হাতেনাতে গ্রেফতার করে কুলাউড়া রেলওয়ে থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
কুলাউড়া রেলওয়ে থানার ওসি আব্দুল মালেক বুধবার দুপুরে মোবাইল ফোনে জানান, এরফানুরকে ঘুষের ১০ হাজার টাকাসহ দুদকের একটি টিম আটক করে আমাদের থানায় হস্তান্তর করেছেন। তার বিরুদ্ধে দুদকের হবিগঞ্জ-মৌলভীবাজার সমন্বিত জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক নুরুল হুদা বাদী হয়ে একটি মামলা করেছেন। বুধবার দুপুরে এরফানুর রহমানকে মৌলভীবাজার আদালতে পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে।








