ছাত্র রাজনীতি নিষিদ্ধ নয়, অপব্যবহার বন্ধ করুন: সুজন

Send
ফেনী প্রতিনিধি
প্রকাশিত : ২০:২৯, অক্টোবর ১৪, ২০১৯ | সর্বশেষ আপডেট : ২০:৩২, অক্টোবর ১৪, ২০১৯

ছাত্র রাজনীতি বন্ধের প্রসঙ্গে সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন) এর সম্পাদক ড. বদিউল আলম মজুমদার বলেছেন, ‘ছাত্রদের রাজনীতি করা সাংবিধানিক অধিকার। এই অধিকার খর্ব করা উচিত নয়। ছাত্র রাজনীতি নিষিদ্ধ নয়; এর অপব্যবহার, লেজুড়ভিত্তিক ছাত্র রাজনীতি বন্ধ হওয়া প্রয়োজন।’

সোমবার (১৪ অক্টোবর) বিকালে সুজন-ফেনী জেলা কমিটির আয়োজনে ‘বাংলাদেশের রাজনৈতিক সংস্কার ও নাগরিক ভাবনা শীর্ষক’ গোলটেবিল বৈঠকে তিনি এসব কথা বলেন।

বৈঠকে ড. বদিউল আলম মজুমদার বলেন, ‘‘সারাদেশে ছোট বড় অনেক সম্রাট তৈরি হয়েছে। এই সম্রাট শুধু আওয়ামী লীগে নয়, সব দলেই রয়েছে। এমন সম্রাটদের প্রতিহত করতে হলে প্রয়োজন সব দলের রাজনৈতিক ঐক্যমত। ২০১৪ ও ২০১৮ সালের নির্বাচন জনগণের সম্মতির আলোকে হয়নি। আর সে কারণেই বর্তমান সরকারের জনগণের প্রতি দায়বদ্ধতা নেই। জনগণের সম্মতির শাসন সৃষ্টি করতে হবে। সম্রাটদের সরকার নয়, জনগণের সরকার প্রতিষ্ঠা করতে হবে।’

সুজন ফেনীর সভাপতি অ্যাডভোকেট লক্ষণ চন্দ্র বণিকের সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ শাহাদাত হোসেনের সঞ্চালনায় বৈঠকে আরও বক্তব্য রাখেন সদর উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আবদুর রহমান, ফেনী জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক কমান্ডার আবদুল মোতালেব, জেলা বিএনপির সদস্য সচিব আলাল উদ্দিন আলাল, জেলা জাতীয় পার্টির সাধারণ সম্পাদক খোন্দকার নজরুল ইসলাম, জাসদ সাধারণ সম্পাদক মাস্টার নুরুল ইসলাম, সিপিবি জেলা সাধারণ সম্পাদক মহিবুল হক চৌধুরী রাসেল, গণফোরামের সাধারণ সম্পাদক মানিক লাল দাস, গণসংহতি আন্দোলনের সমন্বয়ক অ্যাডভোকেট কায়কোবাদ সাগর, জেলা ক্রীড়া সংস্থার সাধারণ সম্পাদক আমির হোসেন বাহার প্রমুখ।

গোলটেবিল বৈঠকে বাংলাদেশের রাজনৈতিক সংস্কারের জন্য ২০টি প্রস্তাব উত্থাপন করে সুজন। প্রস্তাবগুলো হলো- রাজনৈতিক সাংস্কৃতিতে পরিবর্তন, নির্বাচনি সংস্কার, কার্যকর জাতীয় সংসদ, স্বাধীন বিচার বিভাগ, নিরপেক্ষ নির্বাচন কমিশন, সাংবিধানিক সংস্কার, গঠনতান্ত্রিক ও স্বচ্ছ রাজনৈতিক দল, স্বাধীন বিধিবদ্ধ প্রতিষ্ঠান, দুর্নীতি বিরোধী সর্বাত্মক অভিযান, যথাযথ প্রশাসনিক সংস্কার, বিকেন্দ্রীকরণ ও স্থানীয় সরকার, গণমাধ্যমের স্বাধীনতা, শক্তিশালী নাগরিক সমাজ, মানবাধিকার সংরক্ষণ, একটি নতুন সামাজিক চুক্তি, পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা, আর্থিক খাতে সুশাসন প্রতিষ্ঠা, শিক্ষা ব্যবস্থা ও শিক্ষার মানোন্নয়ন ও নারীর ক্ষমতায়ন।

 

 

/এএইচ/

লাইভ

টপ