রাবিতে র‌্যাগিংয়ে বাধা দেওয়ায় এক শিক্ষার্থীকে মারধরের অভিযোগ

Send
রাবি প্রতিনিধি
প্রকাশিত : ১০:৫৭, অক্টোবর ২১, ২০১৯ | সর্বশেষ আপডেট : ১৩:২২, অক্টোবর ২১, ২০১৯

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে (রাবি) ভর্তিচ্ছু একজনকে র‌্যাগ দেওয়ার সময় বাধা দিতে গিয়ে সাইদুর রহমান নামে এক শিক্ষার্থী মারধরের শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। রবিবার (২০ অক্টোবর) বিকেলে বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ সোহরাওয়ার্দী হলের সামনে এ ঘটনা ঘটে। ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীকে রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।

ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী সাইদুর রহমান রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের মাস্টার্সের শিক্ষার্থী। অন্যদিকে অভিযুক্ত মাসুম সিকদার বাংলা বিভাগের মাস্টার্সের শিক্ষার্থী এবং স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন প্রেজেন্টেশন অ্যান্ড ক্যারিয়ার অরগানাইজেশনের সভাপতি। তারা দুইজনই টাঙ্গাইল জেলা সমিতির সদস্য।

তবে এ বিষয়ে ভুক্তভোগী ও অভিযুক্ত দুজনের কাছ থেকে দুধরনের বক্তব্য পাওয়া গেছে।

ভুক্তভোগী সাইদুর জানান, টাঙ্গাইল থেকে তার ভাতিজা সম্পর্কীয় আরিফ নামে এক ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থী তার কাছে আসেন। বিকেল সাড়ে চারটার দিকে সে বাইরে ঘুরতে বের হয়। এ সময় মাসুম তাকে শহীদ সোহরাওয়ার্দী হলের গেইটের সামনে তুই-তুকারি করে র‌্যাগ দিতে থাকে। আমি তখন মাসুমকে র‌্যাগ দেওয়ার কারণ জানতে চাইলে সে আমার সঙ্গে উচ্চস্বরে কথা বলে। এ নিয়ে কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে সে আমাকে ঘুষি মারতে থাকে। এতে আমার কপাল কেটে যায়।’

তবে র‌্যাগ দেওয়ার বিষয়টি অস্বীকার করে মাসুম পারভেজ বলেন, ‘আমরা তিন জন মাদার বখশ হলের সামনে বসে আড্ডা দিচ্ছিলাম। সাইদুরের ফোন এলে সে উঠে পাশের দিকে যায়। এ সময় আমি আরিফের কাছে তার পরিচয় জানতে চাই। ওই সময় কোনও ঝামেলা হয়নি। কিছুক্ষণ পর সাইদুরের সঙ্গে দেখা হলে তার সঙ্গে তুচ্ছ বিষয় নিয়ে কথা কাটাকাটি হয়। এক পর্যায়ে দুইজনের মধ্যে ঘুষাঘুষি হয়।

র‌্যাগের কথা স্বীকার করে ভর্তিচ্ছু মো. আরিফ ‘বলেন, আমি ঘুরতে বের হয়েছিলাম। এ সময় ওই ভাই আমাকে ডেকে তুই- তোকারি করে এবং বিভিন্ন প্রশ্ন জিজ্ঞাস করতে থাকে। এসময় সাইদুর আঙ্কেল এসে আামকে প্রশ্ন করার কারণ জানতে চাইলে দুজনের মধ্যে কথা কাটাকাটি হয়। এক পর্যায় ওই ভাই সাইদুর আঙ্কেলকে মারধর করে। এতে আঙ্কেলে কপাল কেটে যায়।’

এ বিষয়ে জানতে চাইলে প্রক্টর অধ্যাপক লুৎফর রহমান বলেন,‘আমি বিষয়টি শুনেছি। আমাদের সহকারী প্রক্টরকে মেডিক্যালে পাঠিয়েছি। তবে ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী ও তার বন্ধুরা জানান প্রক্টরকে একাধিবার ফোন করা সত্ত্বেও তিনি ঘটনাস্থলে আসেননি।’

 

/জেবি/

লাইভ

টপ