উপকূলের সঙ্গে সারা দেশের সুরক্ষা জড়িত

Send
ভোলা প্রতিনিধি
প্রকাশিত : ১৯:৩৮, নভেম্বর ১২, ২০১৯ | সর্বশেষ আপডেট : ১৯:৫১, নভেম্বর ১২, ২০১৯

উপকূলের জনগোষ্ঠীর সম্পদের সুরক্ষায় ১২ নভেম্বরকে উপকূল দিবস হিসেবে রাষ্ট্রীয়ভাবে ঘোষণার দাবি তোলা হয়েছে। বক্তারা বলেছেন,‘ জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে চরম ঝুঁকিতে থাকা উপকূল অঞ্চলের সুরক্ষার সঙ্গে গোটা দেশের সুরক্ষা জড়িত। উপকূলের সংকট উত্তরণ ও সম্পদ সুরক্ষা করতে না পারলে জাতীয় লক্ষ্য অর্জন ব্যাহত হবে। উপকূলের বৃহৎ অংশকে অনুন্নত রেখে দেশের সামগ্রিক উন্নয়ন সম্ভব নয়।’

মঙ্গলবার (১২ নভেম্বর) রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে অনুষ্ঠিত মানববন্ধনে এসব কথা বলা হয়েছে। দেশের উপকূল অঞ্চলের সুরক্ষা নিশ্চিতের দাবিতে এই মানববন্ধন ও আলোচনা সভার অনুষ্ঠিত হয়েছে।    

উপকূল দিবস বাস্তবায়ন কমিটির উদ্যোগে আয়োজিত মানববন্ধনে কোস্টাল জার্নালিজম নেটওয়ার্ক-সিজেএনবি, চেঞ্জ ইনিশিয়েটিভ, উপকূল বাংলাদেশ ফাউন্ডেশন, কোস্টাল ইয়ুথ নেটওয়ার্ক-আলোকযাত্রা, কমলনগর-রামগতি বাঁচাও মঞ্চসহ বিভিন্ন সংগঠন অংশ নেয়।

বলা হয়, ১৯৭০-এর ১২ নভেম্বরের ভয়াবহ ঘূর্ণিঝড়ে উপকূল অঞ্চলের (বেসরকারি হিসাবে প্রায়) ১০ লাখ মানুষের প্রাণহানি ঘটে। তবে সরকারি হিসাবে এই সংখ্যা পাঁচলাখ। জাতিসংঘের বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থা (ডব্লিউএমও) বিশ্বের পাঁচ ধরনের ভয়াবহ প্রাণঘাতী আবহাওয়া ঘটনার শীর্ষ তালিকা প্রকাশ করে গত বছর। ওই তালিকায় বাংলাদেশের উপকূল অঞ্চলের ওপর দিয়ে বয়ে যাওয়া ১৯৭০ সালের ১২ নভেম্বরের ঘূর্ণিঝড়কে পৃথিবীর সর্বকালের ইতিহাসে সবচেয়ে ভয়ঙ্কর প্রাণঘাতী ঝড় হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। এই দিনটিকে এবছর তৃতীয় বারের মতো উপকূল দিবস পালন করা হয়েছে রাজধানী ঢাকাসহ দেশের ১৬টি উপকূলীয় জেলার ৬০ স্থানে। ২০১৭ সাল থেকে উপকূল দিবস হিসাবে দিনটি পালন করে আসছে বিভিন্ন সগঠন।

 

 

/এএইচ/

লাইভ

টপ