স্বাস্থ্যখাতের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর ভাবমূর্তি জড়িত: জিএম কাদের

Send
লালমনিরহাট প্রতিনিধি
প্রকাশিত : ১৮:০০, নভেম্বর ১৯, ২০১৯ | সর্বশেষ আপডেট : ১৮:১০, নভেম্বর ১৯, ২০১৯

লালমনিরহাটে জিএম কাদেরজাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান, জাতীয় সংসদে বিরোধী দলীয় উপনেতা ও সাবেক বাণিজ্যমন্ত্রী গোলাম মোহাম্মদ কাদের এমপি বলেছেন, ‘আমরা পাঁচ লাখ কোটি টাকার বাজেট দিয়েছি। বড় বড় মেগা প্রকল্প বাস্তবায়ন হচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে দেশ এগিয়ে যাচ্ছে। তাহলে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের হাসপাতালগুলোতে প্রয়োজনীয় চিকিৎসক সংকট থাকবে কেন? এটা স্বাস্থ্যখাতের চরম অব্যবস্থাপনা এবং প্রধানমন্ত্রীর স্বাস্থ্যনীতির বিরোধী। এটি বেশিদিন চলতে পারে না। জনদুর্ভোগ কমাতে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা মোতাবেক পর্যাপ্ত চিকিৎসক নিয়োগের ব্যবস্থা করতে ববে। স্বাস্থ্যখাতের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভাবমূর্তির বিষয়টি জড়িত। তাই এই দিকে সংশ্লিষ্টদের নজর দেওয়া উচিত।’

মঙ্গলবার (১৯ নভেম্বর) দুপুরে লালমনিরহাট সদর ১০০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতালের সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত মতবিনিয়ম সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে লালমনিরহাট-৩ (সদর) আসনের এমপি জিএম কাদের এসব কথা বলেন।

জাতীয় পার্টির এই নেতা পেঁয়াজের মূল্যবৃদ্ধিসহ নিত্যপণ্যের বাজার পরিস্থিতি নিয়েও কথা বলেন। তিনি বলেন, ‘সরকার চাইলে দ্রুততার সঙ্গে কঠোর পদক্ষেপের মাধ্যমে নিত্যপণ্যের বাজারদর স্থিতিশীল রাখা সম্ভব। পেঁয়াজসহ নিত্যপণ্যের বাজার নিয়ন্ত্রণে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়সহ সংশ্লিষ্ট সব মন্ত্রণালয়কে দ্রুত প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের অনুরোধ জানাচ্ছে জাতীয় পার্টি। আশা করি সরকার এই দিকে জরুরিভিত্তিতে সুদৃষ্টি দেবে।’লালমনিরহাটে জিএম কাদের

নতুন সড়ক পরিবহন আইন প্রসঙ্গে জিএম কাদের বলেন, ‘সড়কে নিরাপত্তা বিধান করা সরকারের দায়িত্ব, আমাদের সবার দায়িত্ব। সড়ক নিরাপদ করতে সরকারের নতুন আইনকে সবার সমর্থন করা উচিত। বর্তমান সড়ক আইন সম্পর্কে সবার বোঝা উচিত।’

জেলা সিভিল সার্জন ডা. কাশেম আলী ও তত্ত্বাবধায়ক ডা. গোলাম মোহাম্মদ জানান, লালমনিরহাট ১০০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতালে ৩৯টি মঞ্জুরীকৃত পদের বিপরীতে মাত্র ১৩জন চিকিৎসক রয়েছেন। তাদের দিয়ে কোনোমতে স্বাস্থ্যসেবা পরিচালনা করা হচ্ছে। মাত্র দুই জন মেডিক্যাল অফিসার দিয়ে সাত জন মেডিক্যাল অফিসার ও আট জন সহকারী সার্জনের কাজ করানো হচ্ছে। ৭২ জন নার্সের মধ্যে ১১টি পদ শূন্য এবং বিভিন্ন ধরনের ৫৪জন জনবলের বিপরীতে ১৮টি পদ শূন্য রয়েছে।

লালমনিরহাট সদর ১০০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. গোলাম মোহাম্মদের সভাপতিত্বে আরও বক্তব্য রাখেন অতিরিক্তি জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মো. রফিকুল ইসলাম, সিভিল সার্জন ডা. কাশেম আলী, সিনিয়র কনসালট্যান্ট (মেডিসিন) ডা. আব্দুল বাসেত, সিনিয়র কনসালট্যান্ট (সার্জারি) ডা. আব্দুল হাদী, জুনিয়র কনসালট্যান্ট (শিশু) ডা. তপন কুমার রায়, সেবা তত্ত্বাবধায়ক অমিত কুমার বর্মণ, জাতীয় পার্টির নেতা সেকেন্দার আলী প্রমুখ।

 

/এফএস/

লাইভ

টপ