চালের বাড়তি মূল্য অব্যাহত থাকলে লাভবান হবেন কৃষক ও মিলাররা!

Send
বিপুল সরকার সানি, দিনাজপুর
প্রকাশিত : ২২:৪৬, নভেম্বর ২১, ২০১৯ | সর্বশেষ আপডেট : ২২:৫২, নভেম্বর ২১, ২০১৯



বাহাদুরবাজার এন এ মার্কেটের চাল দোকানধানের জেলা দিনাজপুরে এক সপ্তাহের ব্যবধানে হঠাৎ করেই বেড়েছে চালের দাম। ব্যবসায়ীরা দাবি করছেন, এই মূল্য অব্যাহত থাকলে লাভবান হবেন কৃষক ও মিলাররা।

দিনাজপুর জেলা চালকল মালিক গ্রুপের সভাপতি মোসাদ্দেক হুসেন বলেন, ‘এখন বাজারে যে চাল রয়েছে, সেটি বোরো ধানের চাল। এই ধান শেষ পর্যায়ে। প্রান্তিক কৃষকের কাছে এই ধান নেই, বড় কৃষকের কাছে আছে। তাছাড়া আমন মৌসুমের ধান সংগ্রহ অভিযান ঘোষণা করা হয়েছে। এর প্রভাব পড়েছে বাজারে। আর কয়েকদিন পরই আমন ধান উঠবে। বাজারের মূল্য অব্যাহত থাকলে কৃষকেরা ঠিক মূল্য পাবেন ও লাভবান হবেন। পাশাপাশি মিলাররাও লাভবান হবেন। কারণ সিজনের শুরুতে ধানের যে দাম ছিল, তা কমে গিয়েছিল। আমরাও লোকসানের জায়গাটি পুষিয়ে নিতে পারবো।’

বাহাদুরবাজার এন এ মার্কেটের এ্যারোমা রাইস নামের দোকানের মালিক মেরাজ জানান, মিলাররা বলছেন ধানের দাম বেশি। ধান পাওয়া যাচ্ছে না। তাই চালের দামও বেশি।

বিকে চাউল ঘরের বিশ্বজিৎ কুন্ডু জানান, এখন বোরো মৌসুমের চালের শেষ মৌসুম। এতে চালের দাম বেশি হয়েছে। বেশি দামে চাল কেনার কারণেই বেশি দামে বিক্রি করতে হচ্ছে।

মৌসুমী চাউল বিতানের প্রদ্যুৎ সরকার বলেন, ‘চালের দাম বাড়ার মূল কারণ ধানের দাম বেশি। প্রতি বস্তায় ২৫০ থেকে ৩০০ টাকা বেড়েছে। যার কারণে প্রতি কেজি চালে ২-৪ টাকা করে বেড়েছে। সামনে নতুন ধান বাজারে উঠবে, তখন চালের দাম সহনীয় পর্যায়ে আসবে।’

দিনাজপুরের পাইকারী বাজার বাহাদুরবাজার এন এ মার্কেটে দেখা যায়, এক সপ্তাহ আগে বিআর আঠাশ জাতের চাল ৩২ টাকা কেজি দরে বিক্রি হয়েছে। যা এখন বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩৫ টাকা কেজিতে। একইভাবে মিনিকেট চাল ৩৮ টাকার স্থলে ৪৫ টাকা, গুটি স্বর্ণ ২৫ টাকার স্থলে ২৮ টাকা, চিকন জাতের জিরা চাল ৯৫ টাকার স্থলে ১০৫ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। প্রায় সব ধরনের চাল এক সপ্তাহের ব্যবধানে মূল্য বেড়েছে বস্তাপ্রতি একশ থেকে ৫০০ টাকা পর্যন্ত। আর কেজিপ্রতি বেড়েছে ২ থেকে ১০ টাকা পর্যন্ত। হিসেব অনুযায়ী ৫০ কেজির বস্তায় চালের দাম বেড়েছে গুটি স্বর্ণে ১০০-১৫০ টাকা, বিআর আঠাশ ও উনত্রিশ জাতের চালে ১৫০-২০০ টাকা, মিনিকেট চালে ৪০০-৪৫০ টাকা ও জিরা চালে ৫০০-৭৫০ টাকা।

 

/এনআই/

লাইভ

টপ