ব্রোকলিতেই হাসি জাহাঙ্গীরের

Send
জিয়াউল হক, রাঙামাটি
প্রকাশিত : ২২:৩০, জানুয়ারি ১৬, ২০২০ | সর্বশেষ আপডেট : ২২:৪৯, জানুয়ারি ১৬, ২০২০

শীতকালীন শাকসবজি চাষের সঙ্গে সঙ্গে অল্প খরচে বেশি লাভের আশায় ব্রোকলি চাষে ঝুঁকছেন কৃষকরা। পুষ্টিগুণে সমৃদ্ধ হওয়ায় বাজারে এর চাহিদাও রয়েছে ব্যাপক। রাঙামাটির দুর্গম লংগদু উপজেলার ভাসান্যাদম ইউনিয়নের চ্যাইলাতলী গ্রামের বাসিন্দা জাহাঙ্গীর আলম সারাবছর বিভিন্ন ফসল উৎপাদন করে থাকেন। এ বছর ব্রোকলির ফলন ভালো হওয়ায় তার মুখে হাসি ফুটেছে।
কৃষক জাহাঙ্গীর আলম বলেন, আমি ২ বছর ধরে ব্রোকলি চাষ করছি। গত বছর পরীক্ষামূলক ৫ শতাংশ জমিতে চাষ করেছি, তাতে প্রায় ১৫/২০ হাজার টাকা বিক্রি করেছি। এ বছর ২০/২৫ শতক জমিতে ১২শ’ ব্রোকলির চারা লাগাই, এতে খরচ হয়েছে মাত্র ২৫ হাজার টাকা। খরচ বাদে লাভ হবে প্রায় ৩৫-৪০ হাজার টাকা।
জাহাঙ্গীর আলম আরও বলেন, এই ফসলের পরিচিতি কম থাকায় স্থানীয় বাজারে এর চাহিদা নেই বললেই চলে। কৃষি বিভাগসহ সব প্রচার মাধ্যমে এর পুষ্টিগুণ তুলে ধরতে পারলে বাজারে এর চাহিদাও বাড়বে এবং অনেক কৃষক চাষে আগ্রহ পাবে।
ভাসান্যাদম ইউনিয়নের পাশের গ্রামের বাসিন্দা মো. মোস্তাফা মিয়া বলেন, জাহাঙ্গীরের দেখাদেখি এ বছর কিছু বীজ সংগ্রহ করি এবং ফলনও ভালো মনে হচ্ছে। যদি খরচের তুলনায় লাভ বেশি হয় তাহলে আগামী বছর ২০/২৫ শতক জমিতে ব্রোকলির চাষ করবো।’
রাঙামাটির কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতর উপ-পরিচালক পবন কুমার চাকমা বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘ব্রোকলি একটা কপি জাতীয় ফসল। এ সবজি পুষ্টিগুণে সমৃদ্ধ। চলতি মৌসুমে এ জেলায় শীতকালীন ব্রোকলি চাষ হয়েছে প্রায় ১ একর জমিতে। এ সবজি চাষ কৃষকদের মধ্যে কীভাবে ছড়িয়ে দেওয়া যায় সে ব্যাপারে পদক্ষেপ গ্রহণ করছি।’ আগামী বছর ব্রোকলি চাষ বেশি হবে বলেও আশা করছে কৃষি অধিদফতর।

/এআর/

লাইভ

টপ