জুস খাইয়ে অচেতন করে তৃতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থীকে ধর্ষণের অভিযোগ

Send
ভোলা প্রতিনিধি
প্রকাশিত : ০৪:২০, জানুয়ারি ২২, ২০২০ | সর্বশেষ আপডেট : ১৭:৫৪, জানুয়ারি ২২, ২০২০

শিশু ধর্ষণভোলা সদর উপজেলায় প্রাথমিক বিদ্যালয়ের তৃতীয় শ্রেণির এক ছাত্রীকে জুস খাইয়ে অচেতন করে ধর্ষণ করার অভিযোগ উঠেছে। সোমবার (২০ জানুয়ারি) দুপুরের দিকে উপজেলার ইলিশা ইউনিয়নের গুপ্তমুন্সি গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। মঙ্গলবার (২১ জানুয়ারি) দুপুরে ওই শিক্ষার্থীকে ভোলা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এ ঘটনায় থানায় মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে বলেও জানায় ধর্ষণের শিকার শিশুটির পরিবার।

ধর্ষণের শিকার শিশুটির বাবা জানান, তার ৮ বছর বয়সী মেয়ে প্রতিদিন বাড়ি থেকে হেঁটে স্কুলে যায়। প্রতিদিনের মতো সোমবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে বাড়ি থেকে স্কুলে যাচ্ছিল সে। পথে ওই এলাকার পোস্ট অফিসের রানার শের আলী তাকে জুস খাওয়ানোর লোভ দেখিয়ে পোস্ট অফিসে নিয়ে যায়। সেখানে তাকে জুস খাইয়ে অচেতন করে ধর্ষণ করে। পরে জ্ঞান ফিরলে তাকে আবার স্কুলে পাঠিয়ে দেয়। ঘটনাটি কাউকে জানালে তাকে ইনজেকশন দিয়ে মেরে ফেলার হুমকি দেয় শের আলী।

বিকাল ৪টার দিকে স্কুল ছুটির পর মেয়েটি বাড়ি ফেরার সময় মাথা ঘুরে পড়ে যায়। তখন সহপাঠীরা তাকে বাড়িতে পৌঁছে দেয়। বাড়িতে তার গায়ের জামা খুলে দেখা যায় শরীরে আঁচড়ের চিহ্ন। পরে জিজ্ঞাসা করলে সে ধর্ষণের ঘটনা জানায়।

শিক্ষার্থীর বাবা আরও অভিযোগ করেন, মঙ্গলবার সকালে মেয়ের অবস্থা খারাপ দেখে হাসপাতালে নেওয়ার সময় শেরে আলীর স্বজনরা বাধা দেয়। পরে স্থানীয়দের সহায়তায় তাকে ভোলা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। চিকিৎসা শেষে মামলা করবেন বলেও জানান তিনি।

এ ব্যাপারে জানতে অভিযুক্ত শের আলীকে একাধিকবার ফোন করলেও তার মোবাইলটি বন্ধ পাওয়া যায়। ভোলা সদর হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক মেহেদী হাসান ভুঁইয়া জানান, শিশুটির শরীরে আঁচড়ের চিহ্ন পাওয়া গেছে। বাকি পরীক্ষা মহিলা ডাক্তার করবেন।

হাসপাতালের সিনিয়র স্টাফ নার্স রেখা আক্তার জানান, প্রাথমিকভাবে ধর্ষণের আলামত পেয়েছি। ভোলা সদর মডেল থানার ওসি এনায়েত হোসেন জানান, ঘটনাস্থলে আমরা গিয়েছি। তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

/এমআর/এমওএফ/

লাইভ

টপ