'বিএসএফ’র ছোড়া' ককটেল বিস্ফোরণে তিন বাংলাদেশি আহত

Send
কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি
প্রকাশিত : ২০:৩৮, ফেব্রুয়ারি ২৫, ২০২০ | সর্বশেষ আপডেট : ২০:৫২, ফেব্রুয়ারি ২৫, ২০২০

সীমান্ত (ফাইল ছবি)কুড়িগ্রামের রৌমারী সীমান্তে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফ’র ছোড়া ককটেল বিস্ফোরণে বাংলাদেশি তিন গরু ব্যবসায়ী গুরুতর আহত হওয়ার অভিযোগ উঠেছে। আহতদের রংপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে বলে তাদের পরিবারসূত্রে জানা গেছে। মঙ্গলবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) ভোর রাতে উপজেলার দাঁতভাঙা ইউনিয়নের খেতারচর সীমান্তে এ ঘটনা ঘটে।

দাঁতভাঙা ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান শামসুল হক তার ইউনিয়নের ৩ নং ওয়ার্ড সদস্য মিজানুর রহমানের বরাত দিয়ে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। বিজিবি ৩৫ ব্যাটালিয়ন (জামালপুর) এর পরিচালক লেফটেন্যান্ট কর্নেল এসএম আজাদ জানিয়েছেন, এ বিষয়ে খোঁজ নেওয়া হচ্ছে।

ভারত থেকে সীমান্ত দিয়ে অবৈধভাবে গরু পাচারের সময় টহলরত বিএসএফ সদস্যরা চোরাকারবারিদের লক্ষ্য করে ওই ককটেল ছোড়ে বলে স্থানীয়রা জানান। মঙ্গলবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) সকাল সাড়ে ৬টার দিকে উপজেলার খেতারচর সীমান্তে এ ঘটনা ঘটে।

আহতদের পরিবার ও সীমান্তের একাধিক সূত্রে জানা গেছে, ভোররাতের দিকে বাংলাদেশি একদল গরু ব্যবসায়ি খেতার চর সীমান্তে আন্তর্জাতিক মেইন পিলার ১০৫৫ এর পাশ দিয়ে ভারত থেকে অবৈধভাবে গরু আনতে যায়। এ সময় ভারতের দ্বীপচর ক্যাম্পের টহলরত বিএসএফ সদস্যরা চোরাকারবারিদের ধাওয়া করে। এক পর্যায়ে গরু চোরাকারবারিদের লক্ষ্য করে ককটেল ছোড়ে বিএসএফ সদস্যরা। ককটেলের আঘাতে রফিকুল ইসলাম (৩৫), মনছের আলী (৪০) ও ময়নাল হক (৩৭) গুরুতর আহত হন। সঙ্গে থাকা অন্যান্য চোরাকারবারিরা আহতদের উদ্ধার করে প্রথমে গ্রামের পল্লি চিকিৎসকের কাছে নিয়ে যায়। প্রাথমিক চিকিৎসার পর গোপনে রংপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে তাদের ভর্তি করে। সেখানে তিনজনই চিকিৎসাধীন রয়েছে বলে জানা গেছে।

আহত তিজনের মধ্যে রফিকুল ইসলাম ও মনছের আলীর বাড়ি একই সীমান্ত এলাকার খেতারচর গ্রামে। আর ময়নাল হকের বাড়ি উপজেলার কাউনিয়ারচর গ্রামে বলে জানা গেছে।

দাঁতভাঙা ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান শামসুল হক ৩ নং ওয়ার্ড সদস্য মিজানুর রহমানের বরাত দিয়ে জানান, ‘সীমান্তে ককটেল বিস্ফোরণে তিন গরু ব্যবসায়ী আহত হয়েছে। পুলিশ ও বিজিবির ভয়ে গরু ব্যবসায়িরা আহতদের গোপনে রংপুরের কোনও হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য পাঠিয়েছে।’

এ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে বিজিবি ৩৫ ব্যাটালিয়ন (জামালপুর) এর পরিচালক লেফটেন্যান্ট কর্নেল এসএম আজাদ বলেন, ‘আমরা এ বিষয়ে এখনও কোনও খবর পাইনি। তবে খোঁজ নিচ্ছি।’

 

/এফএস/

লাইভ

টপ