মহাসড়কে ঘরমুখী মানুষের ভিড়, শিমুলিয়ায় যাত্রী চাপ স্বাভাবিক

Send
নারায়ণগঞ্জ ও মুন্সীগঞ্জ প্রতিনিধি
প্রকাশিত : ১৫:০৯, মে ২৩, ২০২০ | সর্বশেষ আপডেট : ১৫:০৯, মে ২৩, ২০২০

ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক


শনিবার (২৩ মে) সকাল থেকে  ঢাকা-চট্টগ্রাম ও ঢাকা-সিলেট মহাসড়কে ঈদ ঘরমুখো মানুষের ভিড় রয়েছে। গণপরিবহন না থাকায়  উবার মোটরসাইকেল, প্রাইভেটকার, সিএনজিতে গাদাগাদি করে করে বাড়ি ফিরছেন লোকজন। তবে অন্যান্য দিনের তুলনায় নারায়ণগঞ্জে অংশে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা ঢিলেঢালাভাবে দায়িত্ব পালন করছেন। এদিকে, মুন্সীগঞ্জের শিমুলিয়া-কাঁঠালবাড়ী নৌরুটে যাত্রী ও যানবাহনের চাপ স্বাভাবিক আছে। শুক্রবার রাত থেকে শনিবার সকাল সাড়ে ৯টা পর্যন্ত ঘাটে যাত্রী ও যানবাহনের চাপ ছিল। এরপর থেকে চাপ কমে গেছে।

ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক

ঢাকা চট্টগ্রাম মহাসগড়কের সাইনবোর্ড, শিমরাইল, কাচঁপুর, সদনপুর, মোগড়াপাড়া, মেঘনাঘাট, দাউদকান্দিসহ সব বাসস্ট্যান্ডেই যাত্রীদের ভিড় দেখা গেছে। ছোট ছোট ছেলে-মেয়েদের নিয়ে স্বাস্থ্যবিধি না মেনেই গ্রামের বাড়িতে যাওয়ার জন্য ভিড় করেছেন লোকজন। আর যাত্রীদের নেওয়ার জন্য প্রতিটি বাসস্ট্যান্ডেই উবার, পাঠাও ও সহজের মোটরসাইকেল এবং সিএনজি, প্রাইভেটকার দাঁড়িয়ে আছে। যাত্রীরা কয়েক গুণ বেশি ভাড়া দিয়েই গাদাগাদি করে এসব পরিবহনের করে বাড়ি যাওয়ার চেষ্টা করছেন।

ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক

যাত্রীদের অভিযোগ, গণপরিবহন বন্ধ থাকায় দ্বিগুণ ভাড়ায় নানা দুর্ভোগের মধ্য দিয়ে বাড়ি যাচ্ছেন তারা। পুলিশ আটক বা বাড়ি যেতে বাধা দিচ্ছে না বলে জানিয়েছেন তারা। নারায়ণগঞ্জ  ট্রাফিক পুলিশের সাবইন্সপেক্টর  কামরুল ইসলাম জানান, অন্যান্য বছরের তুলনায় ঢাকা থেকে ঘরমুখো মানুষের চাপ খুবই কম। এখন যারা বাড়ি ফিরছেন তাদের ঢাকায় থাকা ও ঈদ করার জায়গা নেই। খেটে খাওয়া মানুষ বেশি। এজন্য তাদের ছেড়ে দেওয়া হচ্ছে। 

ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক

মুন্সীগঞ্জ

শিমুলিয়া-কাঁঠালবাড়ী নৌরুটে যাত্রী ও যানবাহনের চাপ স্বাভাবিক আছে। শুক্রবার রাত থেকে শনিবার সকাল সাড়ে ৯টা পর্যন্ত ঘাটে তিন শতাধিক প্রাইভেটকার ও মাইক্রোবাস, বেশকিছু পণ্যবাহী ট্রাক, কাভার্ডভ্যান দেখা গেছে। ১৪টি ফেরি নিয়মিত চলাচল করায় শনিবার সকাল ১০টার মধ্যে ঘাট এলাকা পুরোপুরি ফাঁকা হয়ে যায়। 

শিমুলিয়া ঘাট

বিআইডব্লিউটিসি’র শিমুলিয়া ঘাটের সহকারী ব্যবস্থাপক (বাণিজ্য) মোহাম্মদ ফয়সাল জানান, শিমুলিয়া-কাঁঠালবাড়ী নৌরুটে বর্তমানে ১৪টি ফেরি চলাচল করছে। রাতে যাত্রী ও যানবাহনের বাড়তি চাপ ছিল। তবে সকাল ১০টার পর থেকে যাত্রী ও যানবাহনের চাপ স্বাভাবিক আছে। 

শিমুলিয়া ঘাট
শিমুলিয়া ঘাটের মাওয়া ট্রাফিক পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ হিলাল উদ্দিন জানান, শুক্রবার রাত থেকে সকাল পর্যন্ত ঘাটে যথেষ্ঠ চাপ থাকলেও এখন ২৫টির মতো পণ্যবাহী ট্রাক, কাভার্ডভ্যান ছাড়া কিছুই নেই। নিয়মিত ফেরি চললে ঈদে ঘরমুখো মানুষের ভোগান্তি হবে না।

 

/এসটি/

লাইভ

টপ