ফেরিতে ভিড় কমলেও স্বাস্থ্যবিধি নিয়ে শঙ্কা

Send
মুন্সীগঞ্জ প্রতিনিধি
প্রকাশিত : ১৪:০০, মে ৩১, ২০২০ | সর্বশেষ আপডেট : ১৪:১৯, মে ৩১, ২০২০

শিমুলিয়া ঘাটে স্পিডবোটে যাত্রীরালকডাউন তুলে নেওয়ার পর প্রথম দিনে শিমুলিয়া ঘাটে ঢাকামুখী যাত্রীদের ভিড় লক্ষ্য করা গেছে। পদ্মা পারাপারে লঞ্চ ও স্পিডবোট চালু হওয়ায় ফেরিতে ভিড় কমলে স্বাস্থ্যবিধি মানা নিয়ে শঙ্কা রয়েই গেছে।

রবিবার (৩১ মে) সকাল সরেজমিনে শিমুলিয়ার লঞ্চ, ফেরি ও স্পিডবোট ঘাটে গিয়ে এই দৃশ্য দেখা যায়। ঘাট এলাকায় ঢাকামুখী যাত্রীদের গাদাগাদি করে কয়েকগুণ বেশি ভাড়ায় দিয়ে মিশুক, অটোরিকশা, প্রাইভেট কার, মাইক্রোবাস ও মোটরসাইকেলে করে গন্তব্যে যেতে দেখা গেছে। এই নৌরুটে সকাল থেকে ১৪টি ফেরি চলছে। লঞ্চ চলছে ৮৭টি এবং প্রায় ৪০০ স্পিডবোট চলছে।

যাত্রীদের অনেকে জানান, লঞ্চে তারা মোটামুটি ভালোভাবে আসতে পেরেছেন। সেখানে ভিড় কম ছিল। কর্তৃপক্ষ জীবাণুনাশক ছিটিয়েছে। তবে, অনেক যাত্রীর অভিযোগ যে সকল ছোট যানে চেপে তারা যাচ্ছেন সেখান কয়েকগুন ভাড়া নেওয়া হচ্ছে। আর স্পিডবোটে তো শারীরিক দূরত্ব রাখা সম্ভব হচ্ছে না।

মুন্সীগঞ্জ সিভিল সার্জন ডা. আবুল কালাম আজাদ বলেন, ‘যেহেতু গণপরিবহণ চালু করা হয়েছে সেহেতু যতোটা সম্ভব শারীরিক দূরত্ব রক্ষা করে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলাচল করতে হবে। আইনশৃঙ্খলার দায়িত্বে যারা আছেন তাদেরকে সেটা দেখতে হবে। স্বাস্থ্যবিধি না মানলে এই সকল যাত্রীদের কারণে মুন্সীগঞ্জে করোনার প্রভাব বেড়ে যেতে পারে।’

বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ পরিবহন করপোরেশনের (বিআইডব্লিউটিসি) শিমুলিয়া ঘাটের এজিএম শফিকুল ইসলাম জানান, শিমুলিয়া ঘাটে ফেরির অপেক্ষায় কোন যান নেই। দক্ষিণবঙ্গমুখী যাত্রীদের সংখ্যা খুব কম।

লঞ্চ ঘাটের ট্রাফিক পরিদর্শক মো. সুলেমান জানান, সকাল থেকে সবগুলো লঞ্চ চলছে। যাত্রীদের তেমন চাপ নেই।

লঞ্চ মালিকপক্ষের সুপারভাইজার মো. শাহ আলম জানান, লঞ্চ বিকল বা স্টাফরা ছুটিতে আছে এমন দুই একটি লঞ্চ ছাড়া সবগুলো লঞ্চ চলছে।

স্পিডবোট ঘাটের ইজারাদারের প্রতিনিধি সেলিম জানান, সকাল থেকে স্পিডবোটে কাঁঠালবাড়ি ও মাঝিকান্দির দিকে মাত্র ২০০ যাত্রী গিয়েছে। অন্যদিকে, কাঁঠালবাড়ি ও মাঝিকান্দি থেকে প্রায় হাজার খানেক যাত্রী শিমুলিয়া ঘাটে এসেছে।

ঘাট এলাকার ট্রাফিক পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ মো. হিলাল উদ্দিন জানান, গত ২৪ ঘণ্টায় দক্ষিণবঙ্গমুখী পণ্যবাহী ২২৮টি ট্রাকসহ মোট এক হাজার ৭৫৩টি যান গেছে। ঢাকামুখী ১৮৩টি পণ্যবাহী ট্রাকসহ মোট তিন হাজার ২৪৪টি যান পার হয়েছে। আইনগত সীমাবদ্ধতার কারণে বেশি ভাড়ার ব্যাপারে তেমন কোনও পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে না। কারণ, যে সকল বাহনে করে যাত্রীরা যাচ্ছে সেগুলো গণপরিবহন নয়।

এদিকে, লঞ্চে যাত্রীদের ওঠানোর সময় হাতে জীবাণুনাশক দিতে দেখা গেছে। এছাড়া স্পিডবোট ঘাটে থার্মাল স্ক্যানার দিয়ে যাত্রীদের গায়ের তাপমাত্রা মাপতে দেখা গেছে। 

/এনএস/

লাইভ

টপ