জোয়ারের পানিতে নিম্নাঞ্চল প্লাবিত, পানিবন্দি ২০ হাজার মানুষ

Send
ভোলা প্রতিনিধি
প্রকাশিত : ১২:২৮, আগস্ট ০৬, ২০২০ | সর্বশেষ আপডেট : ১২:৩০, আগস্ট ০৬, ২০২০

জোয়ারের পানিতে প্লাবিত গ্রাম

পূর্ণিমার প্রভাবে জোয়ারের পানিতে ভোলার সদর, তজুমদ্দিন, চরফ্যাশন ও মনপুরায় নিম্নাঞ্চল ৩-৪ ফুট জোয়ারের পানিতে প্লাবিত হয়েছে। এতে কমপক্ষে ২০ হাজার মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছে।

দ্বীপ উপজেলা মনপুরার বিচ্ছিন্ন কলাতলীর চর ও চরনিজামে ৪-৫ ফুট জোয়ারের পানিতে প্লাবিত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। এছাড়াও মেঘনার পানি বিপদসীমার ৮ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে বলে জানিয়েছে পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো)।

ভোলা সদরের ধনিয়া ইউপি চেয়ারম্যান এমদাদ হোসেন কবির জানান, তার ইউনিয়নের কোড়ার হাট এলাকা দিয়ে পাউবোর বেড়িবাঁধ উপচে জোয়ারের পাানি প্রবেশ করছে এলাকায়। তিনি লোকজন নিয়ে বাঁধের ওপর মাটি ভর্তি বস্তা দিয়ে পানি প্রবেশ রোধের চেষ্টা করছেন।

জোয়ারের পানিতে প্লাবিত গ্রাম

মনপুরা উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মিসেস শেলিনা চৌধুরী জানান, উপজেলার হাজিরহাট ইউনিয়নের দাসেরহাট, সোনারচর জোয়ারের পানিতে প্লাবিত হয়েছে। এছাড়াও হাজিরহাটের উপজেলা রক্ষা বাঁধের ওপর দিয়ে জোয়ারের পানি প্রবাহিতসহ লঞ্চঘাট এলাকা প্লাবিত হয়। এছাড়াও উত্তর সাকুচিয়া ইউনিয়নের আলমনগর এলাকা প্লাবিত হয়। মনপুরা ইউনিয়নের নতুন বেড়িবাঁধের কাজ সম্পন্ন না হওয়ায় জোয়ারের পানি প্রবেশ করে বিস্তীর্ণ এলাকা প্লাবিত হয়েছে। মনপুরা উপজেলায় প্রায় পাঁচ হাজার মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছে।

এ ব্যাপারে পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপ-সহকারী প্রকৌশলী আবদুর রহমান জানান, মেঘনার পানি বিপদসীমার ৮ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এত নিম্নাঞ্চলসহ মূল ভূ-খণ্ডের অনেক স্থানে ৩/৪ ফুট জোয়ারের পানিতে প্লাবিত হয়েছে।

জোয়ারের পানিতে প্লাবিত গ্রাম

চরফ্যাশনের কুকরি মুকরি ইউপি চেয়ারম্যান হাসেম মহাজন জানান, জোয়ারের পানিতে তার ইউনিয়নের বিস্তীর্ণ এলাকা প্লাবিত হয়ে কমপক্ষে চার হাজার মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছে।

 

/এসটি/

লাইভ

টপ