টেকনাফের মেরিনড্রাইভে মাদ্রাসাছাত্রীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ

Send
টেকনাফ (কক্সবাজার) প্রতিনিধি
প্রকাশিত : ২২:১২, আগস্ট ১৩, ২০২০ | সর্বশেষ আপডেট : ০১:০৮, আগস্ট ১৪, ২০২০




 কক্সবাজারের টেকনাফে মাদ্রাসার এক ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগে থানায় মামলা হয়েছে। তবে এর আগে ঘটনা ধামাচাপা দিতে স্থানীয় প্রভাবশালীরা চেষ্টা করেছিল বলে অভিযোগ উঠেছে। গত শনিবার (৮ আগস্ট) সন্ধ্যার দিকে এ ঘটনা ঘটে।

ধর্ষিতার পরিবার জানায়, গত ৮ আগস্ট বিকালে ৩টার সময় বান্ধবীর বাসায় বেড়াতে যাওয়ার উদ্দেশে ওই মাদ্রাসাছাত্রী ঘর থেকে বের হয়। এরপর গাড়ির জন্য উত্তর লেঙ্গুরবিল এলাকার রাস্তায় অপেক্ষা করতে থাকে। এ সময় একই এলাকার বখাটে ইসমাইল (২৩) ওই মাদ্রাসাছাত্রীকে জোর করে টমটম গাড়িতে উঠিয়ে মেরিনড্রাইভ সড়কের দিকে নিয়ে যায়। পরে উত্তর লম্বরীর নুরুল আবছার ও জাহালিয়াপাড়ার আবদুল আমিনসহ তিন জন মিলে ওই ছাত্রীকে নিরাপদে বাড়ি পৌঁছে দেওয়ার আশ্বাসে অন্যদিকে নিয়ে যায়। পরে সন্ধ্যা ঘনিয়ে এলে তাকে মেরিনড্রাইভ সংলগ্ন অজ্ঞাত স্থানে নিয়ে হত্যার ভয় দেখিয়ে মারধর করে তিন জন মিলে ধর্ষণ করে।

ধর্ষণের একপর্যায়ে ছাত্রীটি অজ্ঞান হয়ে পড়ে। জ্ঞান ফেরার পর অভিযুক্ত আবদুল আমিন উত্তর লেঙ্গুরবিল এলাকার মো. হোছাইন ওরফে অলু নামের এক ব্যক্তির কাছে মেয়েটিকে রেখে পালিয়ে যায়।

পরে খবর পেয়ে ঘটনাস্থল থেকে মুমূর্ষু অবস্থায় মেয়েটিকে স্থানীয় গ্রাম পুলিশ ও গণ্যমান্য ব্যক্তিদের সহায়তায় উদ্ধার করে টেকনাফ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। এরপর উন্নত চিকিৎসার জন্য চিকিৎসকরা তাকে কক্সবাজার সদর হাসপাতালে পাঠায়।

হাসপাতালে চিকিৎসা শেষে বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) সকালে ভিকটিমের পরিবার ধর্ষণের ঘটনায় অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে টেকনাফ মডেল থানায় মামলা দায়ের করেন। এছাড়া ঘটনার খবর পেয়ে বুধবার টেকনাফ মডেল থানা পুলিশের একটি দল ভিকটিমের পরিবারের সঙ্গে কথা বলেছে।

এ প্রসঙ্গে টেকনাফ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবুল ফয়সাল জানান, ‘এ ঘটনায় তিন জনকে আসামি করে ভিকটিমের পরিবার একটি মামলা দায়ের করেছে। ধর্ষণ সংক্রান্ত পরীক্ষার জন্য ভিকটিমকে চিকিৎসকের কাছে পাঠানো হয়েছে। আসামিদের গ্রেফতারে অভিযান চলছে।

/টিটি/এমওএফ/

লাইভ

টপ