দুই জেলায় পানিতে ডুবে ৪ শিশুর মৃত্যু

Send
বাংলা ট্রিবিউন ডেস্ক
প্রকাশিত : ২১:৫৬, আগস্ট ১৪, ২০২০ | সর্বশেষ আপডেট : ২২:০০, আগস্ট ১৪, ২০২০

পানিতে ডুবে গেছে শিশুনেত্রকোনা ও ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় পানিতে ডুবে চার শিশুর মৃত্যু হয়েছে। নেত্রকোনা প্রতিনিধি জানান বাড়ির পাশে পুকুরে গোসল করতে গিয়ে পানিতে ডুবে আব্দুল মোল্লা (৯) ও মোস্তাকিম (৫) নামক দুই শিশুর মৃত্যু হয়। শুক্রবার (১৪ আগস্ট) দুপুরে কেন্দুয়া উপজেলার চিরাং ইউনিয়নের বাট্টা ভাটিপাড়া গ্রামে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

স্থানীয়রা জানান, বাট্টা ভাটিপাড়া গ্রামের সিরাজ মিয়ার ছেলে আব্দুল মোল্লা ও তারই প্রতিবেশী আব্দুল কাদিরের ছেলে মোস্তাকিম দুপুরে বাড়ির পাশের পুকুরে গোসল করতে গিয়ে পানিতে ডুবে যায়। বিষয়টি দেখে অন্যান্য শিশুরা চিৎকার শুরু করলে স্থানীয় লোকজন তাদের উদ্ধার করে দ্রুত কেন্দুয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে হাসপাতালের কর্তব্যরত চিকিৎসক তাদের দু'জনকেই মৃত ঘোষণা করেন।

কেন্দুয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কর্তব্যরত মেডিক্যাল অফিসার ডা. জাবেদুর রহমানের সঙ্গে যোগাযোগ করলে তিনি পানিতে ডুবে দুই শিশুর মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি জানান, আশুগঞ্জ উপজেলার তারুয়া ও সদর উপজেলার চিনাইর গ্রামে পানিতে ডুবে আসমা (৮) ও নোহা (৪) নামে দুই শিশুর মৃত্যু হয়েছে। শুক্রবার দুপুরে পৃথক স্থানে এ দুর্ঘটনা ঘটে। জানা যায়, আশুগঞ্জ উপজেলার তারুয়া ইউনিয়নের খোলাপাড়া গ্রামে ক্ষৎনার দাওয়াতে গিয়ে ডোবার পানিতে ডুবে যায় শিশু আসমা। পরে বাড়ির পাশের ডোবা থেকে আসমার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পরে হাসপাতারের কর্তব্যরত চিকিৎসক আসমাকে মৃত ঘোষণা করেন। শিশু আসমা ব্রাহ্মণবাড়িয়া পৌর এলাকার শান্তিবাগ মহল্লার মুজাম্মেল হোসেনের মেয়ে।

এদিকে, দুপুর ২টার দিকে সদর উপজেলার মাছিহাতা ইউনিয়নের চিনাইর গ্রামের পুকুরপাড়ে খেলাধুলা করছিলো চিনাইর পূর্বপাড়ার সোহাগ মিয়ার চার বছরের মেয়ে নোহা আক্তার। এক পর্যায়ে শিশু নোহাকে হঠাৎ করে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছিলো না। পরে ছোটন মিয়া নামে এলাকার এক বাসিন্দা পানির নিচ থেকে অর্ধ ডুবন্ত অবস্থায় নোহাকে দেখতে পেয়ে তাৎক্ষণিক উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে আসেন। পরে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক ডা. সৈয়দ আরিফুল ইসলাম পৃথক সময়ে হাসপাতালে আসা শিশু আসমা ও নোহাকে মৃত ঘোষণা করেন।

চিকিৎসক ডা. সৈয়দ আরিফুল জানান, হাসপাতালে নিয়ে আসার আগেই শিশু দুইটির মৃত্যু হয়।

/টিটি/

লাইভ

টপ