করোনারোধের স্বাস্থ্য সুরক্ষাসামগ্রী লোপাট করেছেন পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা!

Send
আনোয়ার হোসেন চৌধুরী, চাঁপাইনবাবগঞ্জ
প্রকাশিত : ২৩:৩৩, সেপ্টেম্বর ২০, ২০২০ | সর্বশেষ আপডেট : ০০:৫১, সেপ্টেম্বর ২১, ২০২০

চাঁপাইনবাবগঞ্জের গোমস্তাপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স

করোনাকালীন নানা অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে চাঁপাইনবাবগঞ্জের গোমস্তাপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তার বিরুদ্ধে। তার বিরুদ্ধে অভিযোগ, করোনাকালে সিএইচসিপি ও স্বাস্থ্য সহকারীদের বরাদ্দের সুরক্ষা সামগ্রী লোপাট এবং করোনা রোগীর চিকিৎসা না করেও হাসপাতালে ভর্তি দেখিয়ে অর্থ আত্মসাৎ করেছেন। 

শুধু সুরক্ষা সামগ্রীই নয়, ভেষজ বাগান কেটে ফুলের বাগান তৈরি, এসি মেরামতের নামে কোটেশন দেখিয়ে অর্থ আত্মসাৎ, জঙ্গি মামলার আসামি ও নির্বাচনে অনিয়মের অভিযোগে বরখাস্তকৃত দুই উপ-সহকারী কমিউনিটি মেডিক্যাল অফিসারকে আইন লঙ্ঘন করে টাকার বিনিময়ে স্বপদে বহাল, সরকারি গাড়ির অপব্যবহার, স্টাফদের বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগে বদলি, হুমকি-ধমকি, টেন্ডার ছাড়াই আম ফল বিক্রিসহ নানা অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগও উঠেছে তার বিরুদ্ধে।

শুধু তা-ই নয়, সরকারিভাবে নিজ অফিস কক্ষ ও বাসভবনে এসি ব্যবহারের অনুমতি না থাকলেও অভিযোগ, হাসপাতালের ওটি, এক্সরে ও আল্ট্রাসনোগ্রাফি রুম থেকে ৫টি এসি খুলে নিজ অফিস কক্ষ, বাসভবন, ডাক্তারদের রেস্টরুম ও আরএমও’র রুমে প্রতিস্থাপন করেছেন ডা. মোহাম্মদ সারওয়ার জাহান।

স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের অপারেশন থিয়েটার থেকে খুলে নেওয়া হয়েছে এসি।

অনুসন্ধানে জানা যায়, স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. সারওয়ার জাহান গত ফেব্রুয়ারি মাসে যোগদানের পর থেকেই নিজের স্বেচ্ছাচারিতা ও ক্ষমতার অপব্যবহার শুরু করেন; নিজেকে জড়িয়েছেন একের পর এক অনিয়ম ও দুর্নীতিতে। 

আর এসব অনিয়ম ও দুর্নীতির তদন্ত চেয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে লিখিত অভিযোগও করেছেন বঞ্চিত সিএইচসিপি, স্বাস্থ্য সহকারী, হাসপাতালের আরএমও এবং এলাকাবাসী। এসব অনিয়ম-দুর্নীতির সত্যতাও মেলে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলে। যদিও এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন অভিযুক্ত কর্মকর্তা ডা. সারওয়ার জাহান। উল্টো তিনি দায় চাপিয়েছেন সিভিল সার্জনের ওপর। আর অভিযোগের বিষয়টি নিশ্চিত করে সিভিল সার্জন জানিয়েছেন, শিগগিরই সকল অভিযোগের বিষয়ে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। 

অপারেশন থিয়েটারসহ হাসপাতালের বিভিন্ন কক্ষ থেকে খুলে নেওয়া এসি নিয়মবহির্ভূতভাবে লাগানো হয়েছে অভিযুক্ত স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তার বাসভবনে।

সরেজমিন চাঁপাইনবাবগঞ্জের গোমস্তাপুর উপজেলার রহনপুর বাজারের ইউনুস আলী মাস্টার কেন্দ্রে গিয়ে দেখা যায় কোনও সুরক্ষা সামগ্রী ছাড়াই করোনাকালে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে শিশুদের টিকা প্রদান করছেন স্বাস্থ্য সহকারীরা। একই চিত্র কাজীহাটাসহ উপজেলার ৩৩টি  কমিউনিটি ক্লিনিকের। যেখানে সংক্রমণের ঝুঁকি নিয়েই সেবা দিচ্ছেন সিএইচসিপি ও স্বাস্থ্য সহকারীরা।

এ সময় কাজীহাটা কমিউনিটি ক্লিনিকের সিএইচসিপি সদস্য হাবিবা সুলতানা ও পীরপুর কমিউনিটি ক্লিনিকের সিএইচসিপি সদস্য রাকিব হোসেন জানান,‘ করোনাকালে সরকারের দেওয়া স্বাস্থ্য সুরক্ষা সামগ্রী (বরাদ্দকৃত ৫টি পিপিই, ১০টি মাস্ক, ২০টি গ্লাভস, হ্যান্ড স্যানিটাইজার) বারবার চাওয়া হলেও তা দেননি ডা. সারওয়ার জাহান। উল্টো জানান, তাদের নামে কোনও সুরক্ষা সামগ্রী বরাদ্দ হয়নি। তাদের অভিযোগ, পরবর্তীতে আমরা জানতে পারি বরাদ্দকৃত এসব সুরক্ষা সামগ্রী হাসপাতালের স্টোররুমে না রেখে তার সরকারি বাসভবনে রেখে লোপাট করেছেন তিনি।’ 

এদিকে, এসব অনিয়ম-দুর্নীতি তদন্তের দাবি জানিয়েছেন বাংলাদেশ হেলথ অ্যাসিসট্যান্ট ও উপজেলা সিএইচসিপি অ্যাসোসিয়েশনের নেতারা। উপজেলা সিএইচসিপি অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি আহম্মেদ রুশদি জানান, ‘করোনাকালে আমরা জীবনের ঝুঁকি নিয়ে এখন পর্যন্ত মাঠ পর্যায়ে কাজ করে যাচ্ছি। অথচ জেলার অন্যান্য উপজেলা বরাদ্দকৃত সুরক্ষা সামগ্রী পেলেও আমরা কেন পেলাম না? এ বিষয়ে আমরা বারবার ইউএইচএফপিও ডা. সারওয়ার জাহান, সিভিল সার্জন, স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের অবহিত করলেও এখন পর্যন্ত তা পাইনি। আমরা চাই এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত। তাহলেই বেরিয়ে আসবে থলের বিড়াল।’

অভিযুক্ত স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. সারওয়ার জাহান

বাংলাদেশ হেলথ অ্যাসিসট্যান্ট চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা শাখার সভাপতি নিয়ামতুল্লাহ জানান, ‘সুরক্ষা সামগ্রী ছাড়াই বাচ্চা ও মহিলাদের সংস্পর্শে এসে টিকা প্রদান করা খুবই ঝুঁকিপূর্ণ। এ অবস্থায় আমাদের বরাদ্দকৃত সুরক্ষা সামগ্রীর জন্যে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে বারবার বলার পরও তা দেননি। অথচ আমরা জানতে পেরেছি আমাদের নামে ঠিকই বরাদ্দ এসেছে। তাহলে এগুলোর কি হলো? এ বিষয়ে আমরা তদন্ত চাই।’

অনুসন্ধানে জানা যায়, মার্চ-এপ্রিল মাসে উপজেলা স্বাস্থ্য বিভাগের ৬/৭ টি সেকশন, কমিউনিটি ক্লিনিকের সিএইচসিপি এবং অনুদানকৃত পিপিই মিলিয়ে ৬০০’র অধিক পিপিই লোপাট করেছেন তিনি। সংশ্লিষ্টদের অভিযোগ, ওই সময় বাজারে পিপিই সরবরাহ কম এবং চাহিদা বেশি থাকায় প্রতিটি পিপিই’র মূল্য ন্যূনতম ২ হাজার টাকা করে ধরলেও তিনি ৬০০ পিপিইর ১২ লাখ টাকা এবং অন্যান্য সুরক্ষা সামগ্রী থেকে আরও প্রায় ৫ লাখ টাকা নিজের পকেটে পুরেছেন।

করোনাকালে পাঠানো স্বাস্থ্য সুরক্ষা সামগ্রী লোপাটের অভিযোগ স্বাস্থ্য ও পরিবার কর্মকর্তার বিরুদ্ধে। কমপ্লেক্সের স্বাস্থ্য সহকারীরা টিকা দিচ্ছেন স্বাস্থ্য সুরক্ষা সরঞ্জাম ছাড়াই।

তার বিরুদ্ধে আরও অভিযোগ, হোম কোয়ারেন্টিনে সুস্থ হওয়া করোনা রোগীদের হাসপাতালে ভর্তি দেখিয়েছেন তিনি। এই সুযোগে আত্মসাৎ করেছেন থোক বরাদ্দের ৩ লাখ টাকা। এর সত্যতাও নিশ্চিত করেছেন হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও)। আর এ ধরনের ঘটনায় বিস্ময় প্রকাশ করেছেন রোগীরা।

আরএমও ডা. সালাহ উদদীন আহম্মেদ জানান, ‘ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে নিজের ভাবমূর্তি তুলে ধরতে হোম কোয়ারেন্টিনে সুস্থ হওয়া করোনা আক্রান্ত রোগীদের হাসপাতালে ভর্তি দেখিয়ে বরাদ্দকৃত ৩ লাখ টাকা আত্মসাৎই ছিল তার উদ্দেশ্য। আর এ কারণেই তিনি তাদের হাসপাতালে ভর্তি দেখিয়েছেন। কাগজে কলমে হাসপাতালে রোগী ভর্তি দেখানো হলেও বাস্তবে কোনও করোনা রোগী হাসপাতালে ভর্তিই ছিল না।’

আর ভর্তি দেখানো করোনা রোগী শহিদুল, আনাম, আমিরুল, রবিউল ও হাসপাতালের স্টাফ আরিফের সঙ্গে কথা বললে তারা জানান, ‘তারা হোম কোয়ারেন্টিনে সুস্থ হয়েছেন। কখনোই তারা হাসপাতালে ভর্তি হননি এবং কোনও ধরনের সেবা নেননি। ডা. সারওয়ার জাহানের এমন কাণ্ডে প্রশ্ন তুলেছেন তারাও। তারা বলছেন, কীভাবে হাসপাতালের অফিস প্রধান করোনা পজিটিভ রোগীকে নিয়ে এ ধরনের মিথ্যা, জালিয়াতি রিপোর্ট প্রদান করেন। এই অনিয়ম-দুর্নীতির আমরা বিচার চাই।’

শুধু সুরক্ষা সামগ্রীই নয়, ডা. সারওয়ারের স্বেচ্ছাচারিতা, ক্ষমতার অপব্যবহার ও দুর্নীতির প্রমাণ মেলে ফুলের বাগান গড়তে ধ্বংস করেছেন হাসপাতালের সরকারি ভেষজ বাগানও। যেখানে ছিল মূল্যবান হরীতকী, শতমূলী, বহেড়া, আসামলতা, নাগফনীসহ প্রায় ৫০ জাতের ঔষধি গাছ। অভিযোগ রয়েছে, ক্ষমতার অপব্যবহার করে, কর্তৃপক্ষের অনুমোদন ছাড়াই সেসব গাছ কেটে ধ্বংস করেন তিনি।

বাগানের দায়িত্বে থাকা হারবাল অ্যাসিসটেন্ট তরিকুল ইসলাম জানান, ‘১৭ বছর ধরে গড়ে তোলা ভেষজ বাগানটি অসৎ উদ্দেশ্যে একক ক্ষমতাবলে ধ্বংস করেন তিনি। তরিকুল ইসলাম আরও বলেন, এ বিষয়ে তিনি আমার ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ অলটারনেটিভ মেডিকেলে কেয়ারকে (এএমসি) অবগত না করেই ভেষজ বাগানটি কেটে ধ্বংস করেন এবং সেখানে ফুলের বাগান গড়ে তোলেন। উল্টো তিনি আমাকে বলেন, ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ জিজ্ঞেস করলে মিথ্যা বলবে ‘আম্পান ঝড়ে ভেষজ বাগান ভেঙে গেছে। অথচ চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার কোনও উপজেলায় আম্পান ঝড়ে তেমন কোনও ক্ষতি হয়নি। পরবর্তীতে কোনও উপায় না পেয়ে আমি আমার ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ এএমসিকে লিখিত অভিযোগ দিয়েছি এই ঘটনা সুষ্ঠু তদন্তের জন্য।’

ভেষজ বাগান ছিল স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে। সেটা লোপাট করে নামকাওয়াস্তে করেছেন ফুলের বাগান।

আর হাসপাতালের আরএমও ডা. সালাহ উদদীন আহম্মেদ জানান, ‘হাসপাতালের বাউন্ডারির ভেতর চমৎকার একটি ভেষজ বাগান ছিল। অথচ ফুলের বাগান গড়তে কাউকে না জানিয়ে সরকারি ভেষজ বাগানটি ধ্বংস করেন ইউএইচএফপিও। এটা শাস্তিযোগ্য অপরাধ। কর্তৃপক্ষের অনুমোদন ছাড়া তিনি এটা করতে পারেন না। তিনি বলেন, ‘ভেষজ বাগানটি ধ্বংস না করে অন্য জায়গায় ফুলের বাগান তৈরি করা যেত। ভেষজ বাগানটি রক্ষা করা বেশি প্রয়োজনীয় ছিল ফুলের বাগানের চাইতে।’

এছাড়া সরকারিভাবে নিজ অফিস কক্ষ ও বাসভবনে এসি ব্যবহারের অনুমতি না থাকলেও হাসপাতালের লেবার রুম, ওটি, এক্সরে ও আল্ট্রাসনোগ্রাফি রুম থেকে ৫টি এসি খুলে নিজ অফিস কক্ষ, বাসভবন, ডাক্তারদের রেস্টরুম ও আরএমও’র রুমে প্রতিস্থাপন করেন ডা. সারওয়ার জাহান। এতে ব্যক্তিগত ব্যবহারের কারণে বিদ্যুতের অপচয় ও সরকারের আর্থিক ক্ষতি সাধন হচ্ছে। শুধু তাই নয়, ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে না জানিয়ে এসব এসি মেরামতের নামে কোটেশন দেখিয়ে লোপাট করেছেন ২ লাখ ৬৫ হাজার টাকাও। আর এই কোটেশন বিলে স্বাক্ষর করতে আপত্তি জানিয়েছেন খোদ কোটেশন কমিটির সদস্য হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসক ডা. সালাহ উদদীন আহম্মেদ।

এ বিষয়ে ডা. সালাহ উদদীন আহম্মেদ জানান,‘ ডেন্টাল চেয়ার, ইসিজি, আল্ট্রাসনোগ্রাফি, এসি প্রভৃতি মেডিক্যাল যন্ত্রপাতি মেরামত করার জন্য ‘নিমিউ’ এবং‘ গণপূর্ত’ নামক সরকারি প্রতিষ্ঠান আছে। তারাই নির্ধারণ করবে কোন যন্ত্রটি নষ্ট এবং কোনটি ঠিক আছে। এক্ষেত্রে তিনি সরকারি আদেশ অগ্রাহ্য করে নিজেই অর্থ আত্মসাতের জন্য অবাস্তব এই কোটেশন করেন এবং বিল ভাউচারে আমাকে স্বাক্ষর করতে বললে আমি তা করিনি। পরবর্তীতে তিনি আমাকে কোটেশন কমিটি থেকে বাদ দিয়ে তার পছন্দের লোককে কমিটির সদস্য বানিয়ে ২ লাখ ৬৫ হাজার টাকা আত্মসাৎ করেন।’

ভেষজ বাগান থেকে কেটে নেওয়া হয়েছে গাছ। পড়ে আছে গাছের গুঁড়ি।

শুধু অনিয়ম-দুর্নীতিই নয়; অভিযোগ উঠেছে জঙ্গি মামলার আসামি ফারিকুল ইসলাম (জঙ্গিবাহিনী আনসারুল্লাহ বাংলা টিমের সদস্য, ফৌজদারি মামলা চলমান এবং দুই দফায় জেলও খেটেছেন) ও নির্বাচনে অনিয়মের দায়ে আব্দুস সামাদ নামে সাময়িক বরখাস্তকৃত দুই উপ-সহকারী কমিউনিটি মেডিকেল অফিসারকে নিয়মনীতি উপেক্ষা করে টাকার বিনিময়ে স্বপদে বহাল করেছেন ডা. সারওয়ার জাহান। তবে কাজে যোগদানের বিষয়ে কোনও লিখিত আদেশ দেখাতে না পারলেও ফারিকুল ও আব্দুস সামাদ জানান, তাদের কাজে যোগদানের বিষয়টি সিভিল সার্জন ও ডা. সারওয়ারের মৌখিক নির্দেশেই হয়েছে। 

তবে অভিযুক্ত ডা. সারওয়ার জাহান তার বিরুদ্ধে আনীত সব অভিযোগ অস্বীকার করলেও দায় চাপিয়েছেন সিভিল সার্জনের ওপর। তিনি বলেন,  ‘সকল কার্যক্রমই সিভিল সার্জনকে মৌখিকভাবে জানানো হয়েছে এবং তার নির্দেশেই আমি এসব কাজ করেছি। পাশাপাশি তিনি এও বলেন, যেহেতু আমার বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ হয়েছে; সেহেতু আমার ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ তদন্ত করে এ বিষয়ে ব্যবস্থা নেবেন। এর বেশি আমি আপনাদের আর কিছু বলতে চাই না।’

আর দায় চাপানোর বিষয়ে সিভিল সার্জন ডা. জাহিদ নজরুল চৌধুরী কোনও সদুত্তর না দিলেও তিনি জানান, ‘খুব শিগগিরই এ বিষয়ে কমিটি গঠন করে এসব অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগ তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’  

/টিএন/এমওএফ/

লাইভ

টপ
X