৬২ জেলের জেল-জরিমানা

Send
বাংলা ট্রিবিউন ডেস্ক
প্রকাশিত : ২৩:২৩, অক্টোবর ১৭, ২০২০ | সর্বশেষ আপডেট : ২৩:২৪, অক্টোবর ১৭, ২০২০

নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে ইলিশ শিকারের চেষ্টা ও মা ইলিশ রক্ষা অভিযানে দুই জেলার ৬২ জেলে এবং ৪ ব্যবসায়ীকে জেল-জরিমানা করা হয়েছে। আমাদের প্রতিনিধিদের পাঠানো সংবাদ:

মুন্সীগঞ্জে জব্দকৃত কারেন্ট জাল পুড়িয়ে ফেলা হচ্ছে মুন্সীগঞ্জ প্রতিনিধি জানান, মুন্সীগঞ্জের লৌহজং ও শ্রীনগর উপজেলায় মা ইলিশ রক্ষার পৃথক অভিযানে ৪৩ জেলে ও চার ব্যবসায়ীকে কারাদণ্ড ও জরিমানা দিয়েছে ভ্রাম্যমাণ আদালত।
শনিবার (১৭ অক্টোবর) প্রথম প্রহর থেকে শুরু করে দুপুর পর্যন্ত এ সব অভিযান চলে। লৌহজং উপজেলার পদ্মা নদী থেকে ৯টি মাছ ধরার ট্রলার ও দুই লাখ মিটার জালসহ ৪১ জেলেকে আটক করা হয়। এ সময় তাদের কাছ থেকে ২০ কেজি মা ইলিশও জব্দ করে মাওয়া নৌপুলিশ।
মাওয়া নৌপুলিশের ইনচার্জ মো. সিরাজুল কবীর জানান, ৩৭ জন জেলেকে এক মাস করে বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও চার জেলেকে পাঁচ হাজার টাকা করে মোট ২০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। জব্দ করা জাল পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়েছে ও ৯টি ট্রলার হেফাজতে নেওয়া আছে। পরে আইন অনুযায়ী সেগুলো নিলাম করা হবে।
এদিকে, শ্রীনগর উপজেলার ভাগ্যকূল ইউনিয়নের পদ্মা নদীর অংশে অভিযান চালিয়ে দুই জেলেকে আটক করে র‌্যাব-১১ এর সদস্যরা। শনিবার প্রথম প্রহরে ৫০ হাজার মিটার কারেন্ট জালসহ তাদের আটক করা হয়। পরে ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও শ্রীনগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রহিমা আক্তার দুই জেলেকে পাঁচ হাজার টাকা করে মোট ১০ হাজার টাকা জরিমানা করেন। এ সময় জব্দকৃত ৫০ হাজার মিটার জাল পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়।

এছাড়া শনিবার দুপুরে পৃথক অভিযানে ৪ ব্যবসায়ীকে চার হাজার টাকা করে জরিমানা করেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। শ্রীনগর উপজেলার বাড়ৈখালী ইউনিয়নের শিবরামপুর হাটে অবৈধ কারেন্ট জাল বিক্রির অপরাধে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) কেয়া দেবনাথ ভ্রাম্যমাণ আদালতে তাদের এই দণ্ড দেন।
সিনিয়র উপজেলা মৎস কর্মকর্তা সমীর কুমার বসাক এ তথ্য নিশ্চিত করেন। তিনি জানান, এ সময় জব্দকৃত দেড় লাখ মিটার অবৈধ কারেন্ট জাল পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়।  

মানিকগঞ্জ প্রতিনিধি জানান, মানিকগঞ্জের যমুনা নদী থেকে ১৯ জেলেকে জেল জরিমানার দণ্ড দিয়েছে ভ্রাম্যমাণ আদালত।

শনিবার (১৭ অক্টোবর) সকাল ১০টার দিকে শিবালয় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এবং দৌলতপুর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) এই দণ্ডাদেশ দেন। খবর সংশ্লিষ্ট সূত্রের।

নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে যমুনা নদীর শিবালয় উপজেলার বিভিন্ন অংশে জাল ফেলায় সাত জেলেকে আটক করা হয়। শিবালয় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বিএম রুহুল আমিন বলেন, আটক ব্যক্তিদের মধ্যে চার জনকে দেড় বছর করে কারাদণ্ড দেওয়া হয়। বাকি তিন জনকে ৫ হাজার করে মোট ১৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।

এদিকে জেলার দৌলতপুর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) জুয়েল আহমেদ জানান, যমুনা নদীতে ইলিশ শিকারের চেষ্টাকালে ১২ জেলেকে আটক করা হয়। এর মধ্যে পাঁচ জনকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড এবং বাকি সাত জনকে মোট ১৮ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, ইলিশ শিকার বন্ধে এই অভিযান চলমান থাকবে। 

/আরআইজে/

লাইভ

টপ
X