
বগুড়ার সারিয়াকান্দিতে যমুনা ও বাঙালি নদীতে পানি কমতে শুরু করায় নদী তীরের বিভিন্ন স্থানে ভাঙন দেখা দিয়েছে। নদীতে পানি কমায় বন্যা পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি হলেও বন্যার্তদের দুর্ভোগ কমেনি। শনিবার সকালে যমুনা নদীতে পানি এক সেন্টিমিটার কমে বিপদসীমার ৯৭ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হয়।
সারিয়াকান্দি উপজেলার চালুয়াবাড়ি ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আব্দুল কদ্দুস সরকার জানান, যমুনা নদীতে প্রবল স্রোত ও ঘূর্ণাবর্তে বিভিন্ন স্থানে ভাঙন অব্যাহত রয়েছে। তার ইউনিয়নের মানিক দাইড়, ফাজিলপুর, তেলীগাড়ী, বিরামের পাচগাছী, বহুলাডাঙা, ভাঙরগাছা, হাটশেরপুর ইউনিয়নের চকরতিনাথ, করমজাপাড়া, ধনারপাড়া, দিঘাপাড়া, কাজলা ইউনিয়নের পাকুরিয়া, বেড়াপাচবাড়িয়া, পশ্চিম পাকুরিয়া, চর ঘাগুয়া এলাকায় নদী ভাঙনে প্রায় এক হাজার বাড়িঘর নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে।

অপরদিকে বাঙালি নদীর পানি বিপদ সীমার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হলেও নারচী ইউনিয়নের গনকপাড়া, ভেড়ামারা, চরগোদাগাড়ী, গোদাগাড়ী, সদর ইউনিয়নের বরুরবাড়ী, কুপতলা টোনাপাড়া, পাইকপাড়া, চরগোসাইবাড়ী, ফুলবাড়ী ইউনিয়নের কাটাখালী, রামচন্দ্রপুর, কুতুবপুর ইউনিয়নের মাছিরপাড়া, ডোমকান্দি ভেলাবাড়ী ইউনিয়নের বাঁশহাটা, হাটশেরপুর ইউনিয়নের নিজবরুরবাড়ী এলাকায় বিপুল পরিমাণ ফসলি জমি নদী গর্ভে বিলীন হয়ে যাচ্ছে। বাঙালি নদীর ভাঙনে বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন করপোরশন (বিএডিসি) সেচ প্রকল্পের ৩টি সেচ প্রকল্প নদী ভাঙনের কবলে পড়েছে।
/এসটি/







