রাজশাহীতে চাহিদার তুলনায় সরবরাহ কম হওয়ায় খালি হাতে ফিরে যাচ্ছেন অনেক ক্রেতা। ঈদকে সামনে রেখে মহানগরীর পাঁচটি স্থানে ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশের (টিসিবি) তিন ধরনের পণ্য বিক্রি হচ্ছে। ৩১ আগস্ট থেকে টিসির পণ্য বিক্রি শুরু হয়েছে। ৮ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত এ কার্যক্রম চলবে।
নগরীর বিনোদপুর বাজারে দেখা যায়, চিনি, সয়াবিন তেল ও মসুরের ডাল নিতে ক্রেতারা দীর্ঘ লাইনে অপেক্ষা করছেন। কোনও কোনও ক্রেতা পণ্য না পেয়ে খালি হাতে ফিরে যাচ্ছেন।
এমনি একজন শামসুন নাহার জানান, তেল ও চিনি নেওয়ার জন্য লাইনে দাঁড়িয়ে ছিলাম। কিন্তু লাইনে দাঁড়িয়েও পণ্য শেষ হয়ে যাওয়ায় খালি হাতে ফিরে যেতে হচ্ছে।
টিসিবি অফিস সূত্রে জানা গেছে, ভোক্তা পর্যায়ে প্রতি কেজি চিনির দাম নেওয়া হচ্ছে ৫৫ টাকা, মসুর ডাল ৮৯ দশমিক ৯৫ পয়সা ও প্রতি লিটার সয়াবিন তেল ৮০ টাকা করে বিক্রি হচ্ছে। একজন ক্রেতা সর্বোচ্চ দুই কেজি চিনি, দুই কেজি মসুর ডাল ও ৫ লিটার সয়াবিন তেল কিনতে পারছেন।
টিসিবির ডিলার ওয়াসিম রেজা জানান, বাজারের তুলনায় টিসিবির পণ্যের দাম কম হওয়ায় চাহিদা অনেক। ঈদকে সামনে রেখে বিশেষ করে চিনি ও তেলের চাহিদা বেশি। গুণগত মান ভাল হওয়ায় সব ধরনের মানুষ টিসিবির পণ্য কিনতে লাইনে দাঁড়ান। এজন্য লাইনে দাঁড় করিয়ে পণ্য বিক্রি করতে হয়।
তিনি আরও জানান, বর্তমানে তারা চিনি ৫০০ কেজি, সয়াবিন তেল ২০০ লিটার এবং মসুর ডাল ২০০ কেজি করে পাচ্ছেন। এর চেয়ে অতিরিক্ত আরও পেলে ক্রেতাদের চাহিদা পূরণ করা যেতে পারে।
রাজশাহী টিসিবির আঞ্চলিক গোডাউন ইনচার্জ কবির হোসেন জানান, মানুষের চাহিদা অনুযায়ী ডিলারদের পণ্য সরবরাহ করা হচ্ছে। পণ্য বেশি দিলে ডিলাররা খুচরা বিক্রি না করে পণ্য নিয়ে কারসাজি করার চেষ্টা করে বলে অভিযোগ তার। তাই যতটুকু দিলে অনিয়ম হবে না সে পরিমানই দেওয়া হচ্ছে।
টিসিবি রাজশাহী বিভাগের ইনচার্জ আনিসুর রহমান জানান, রাজশাহীতে মোট ৭৯ জন ডিলার রয়েছে। এরমধ্যে ২০ জন ডিলার তিনটি পণ্য নিয়ে গেছে।
অন্য ডিলাররা কেন পণ্য উত্তোলন করেনি- এ ব্যাপারে আনিসুর রহমান বলেন, এখনও সময় আছে। তারা পণ্য তুলবেন। সঠিকভাবে যাতে পণ্য পায়, সেদিকে দৃষ্টি দেওয়া হচ্ছে। কোনও অনিয়ম হবে না।
/বিটি/







