বগুড়ার শেরপুরের ভবানীপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক আমিরুল ইসলামকে মারধরের ঘটনায় দোষীদের বিচারের দাবিতে স্কুলের শিক্ষার্থী ও শিক্ষকরা লাঠি মিছিল করেছেন। তারা হামলাকারী যুবলীগ নেতা ও ম্যানেজিং কমিটির সদস্য রামকৃষ্ণ দাসকে গ্রেফতার এবং তার সদস্য পদ বাতিলের দাবি জানিয়েছে। তাকে গ্রেফতারের জন্য প্রশাসনকে ২৪ ঘণ্টার সময় দেওয়া হয়েছে।
সোমবার (১৪ নভেম্বর) দুপুরের ওই ঘটনায় রাতে লাঞ্ছিত শিক্ষক শেরপুর থানায় রামকৃষ্ণ দাসের বিরুদ্ধে মামলা করেছেন। পুলিশ এখন পর্যন্ত তাকে গ্রেফতার করেনি।
অভিযোগে জানা গেছে, ভবানীপুর ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি রামকৃষ্ণ দাস ভবানীপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সদস্য। সোমবার দুপরে স্কুলের ম্যানেজিং কমিটির সদস্য সবিতা রানীর মেয়ের ফরম পূরণের জন্য এক হাজার টাকা নেওয়া হয়। এ কারণে রামকৃষ্ণ দুপুরে স্কুলের অফিসে আসে ও প্রধান শিক্ষককে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজের পর ওই টাকা ফেরত চায়। টাকা ফেরত দিতে দেরি হওয়ায় প্রধান শিক্ষকের মোবাইল ফোন কেড়ে নিয়ে তাকে স্ট্যাপলার মেশিন দিয়ে মারতে চেষ্টা করে। এতে বাধা দিলে সে সহকারী শিক্ষক আমিরুল ইসলামকে মারধর করে। শিক্ষককে মারধরের খবর পেয়ে তার স্বজনরা স্কুলে আসলে রামকৃষ্ণ পালিয়ে যায়। সোমবার রাতেই ওই শিক্ষক শেরপুর থানায় রামকৃষ্ণের বিরুদ্ধে মামলা দিয়েছেন। তিনি বর্তমানে শেরপুর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
শেরপুর থানার ওসি খান মো. এরফান জানান, আসামীকে গ্রেফতারে অভিযান চলছে।
/এসটি/








