এবার রাজশাহী শিক্ষা বোর্ডে এসএসসি পরীক্ষায় নিজেদের প্রতিবন্ধকতাকে জয় করে কৃতকার্য হয়েছেন ১৫ জন। এদের মধ্যে দৃষ্টি ও শারীরিক প্রতিবন্ধী ও একজন হাজতিও রয়েছেন।
২০১৭ সালের এসএসসি পরীক্ষায় দৃষ্টি ও শারীরিক প্রতিবন্ধী ও হাজতি মিলে ২০ জন শিক্ষার্থী অংশ নেন। এরমধ্যে ১৫ জন পাস, চারজনের ফল স্থগিত ও একজন ফেল করেছেন।
কৃতকার্য দৃষ্টি প্রতিবন্ধীরা হলেন, জয়পুরহাট জেলার খনজনপুর মিশন বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের সুমোরানী টপ্প (জিপিএ-৩.৯১), একই বিদ্যালয়ের সুফলা মিনজী (জিপিএ-৩.৯১), রাজশাহীর পুঠিয়া উপজেলার পঙ্গু শিশু নিকেতন সমম্বিত অবৈতনিক মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের আরিফুল ইসলাম (জিপিএ-৪.৬৪), বগুড়ার চাঁচাইতারা মাদলাযুক্ত উচ্চ বিদ্যালয়ের শাহানাজ খাতুন (জিপিএ-৩.৯১), পাবনার দোগাছী উচ্চ বিদ্যালয় অ্যান্ড কলেজের কাওসার হোসেন (জিপিএ-৪.৪৫), একই বিদ্যালয়ের হারুনর রশিদ (জিপিএ-৩.৯১), আব্দুল মতিন তুষার (জিপিএ-৪.৪১), আব্দুস সবুর (জিপিএ-৪.৬৪), আনারুল ইসলাম (জিপিএ-৪.৬৪) ও নাদিম হোসেন (জিপিএ-৪.৬৪)। এছাড়াও দৃষ্টি প্রতিবন্ধী বিভাগে সিরাজগঞ্জের এস.বি রেলওয়ে কলোনী স্কুল অ্যান্ড কলেজের মাহমুদুল হাসান শাওন, ভোলানাথ সাহা ও মাহবুব জামানের ফলাফল স্থগিত করা হয়েছে।
শারীরিক প্রতিবন্ধী পরীক্ষার্থীদের মধ্যে সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়া উপজেলার কয়ড়া উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজের অনামিকা খাতুন (জিপিএ-৩.২৩), একই প্রতিষ্ঠানের শারমিত ইফতেয়ারা (জিপিএ-২.২৩), রাজশাহীর ইসতেখার হাবিব (জিপিএ-৩.২৭) ও মাহিন আলম (জিপিএ-৪.০৯) এবারের এসএসসি পরীক্ষায় পাস করেছেন। অপরদিকে কারাগারে থেকে পরীক্ষায় তিনজন অংশ নিয়ে মাত্র একজন পাস করেছেন। তিনি সিরাজগঞ্জ কারাগার কেন্দ্রে জামতৈল ধোপাকান্দী বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী রেজাউল করিম। আর বগুড়ার কিচত দ্বিমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ের জোবাইল হোসেনের ফলাফল স্থগিত করা হয়েছে।
এ ব্যাপারে রাজশাহী শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক প্রফেসর তরুণ কুমার সরকার বলেন, যেসব পরীক্ষার্থীর ফলাফল স্থগিত করা হয়েছে। তাদের খাতা আবার দেখার পর ফলাফল ঘোষণা করা হবে। অন্যদের চেয়ে শারীরিক প্রতিবন্ধী পরীক্ষার্থীদের নির্ধারিত সময়ের চেয়ে অতিরিক্ত ৩০ মিনিট দেওয়া হয়েছিল।
/বিএল/
আরও পড়ুন:








