রক্তাক্ত জনপদ নামে পরিচিত নওগাঁ-৬ আসনে নির্বাচনি হাওয়া খুব জোরোসোরে বইতে শুরু করেছে। নওগাঁ জেলার রাণীনগর ও আত্রাই দুই উপজেলা নিয়ে এ আসনটি গঠিত। এই আসন থেকে আওয়ামী লীগ ও বিএনপির মোট ৯ জন মনোনয়ন প্রত্যাশী মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন।
২০০৬ সালে বিএনপি সরকারের মেয়াদ শেষের দিকে আলমগীর কবির দল ত্যাগ করে এলডিপিতে যোগ দেন। এরপর থেকে প্রায় ১৫ বছর তিনি রাজনীতির মাঠ থেকে দূরে। কোনও সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডে তাকে দেখা যায়নি। কিন্তু আগামী নির্বাচনে আলমগীর কবীর ও তার ছোট ভাই আনোয়ার হোসেন বুলুর মনোনয়নপত্র কিনেছেন।
আলমগীর কবির বিএনপি ছাড়ার পর দলের নেতাকর্মীরা সংকটে পড়েন। সেই দুঃসময়ে দলের হাল ধরেন তার ছোট ভাই আনোয়ার হোসেন বুলু। বিএনপির দুর্গ হিসেবে পরিচিত এ আসন ২০০৮ সালের নির্বাচনে আওয়ামী লীগের দখলে আসে। ২০১৪ সালের নির্বাচনে তিনি বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হন।
আওয়ামী লীগ থেকে নওগাঁ-৬ আসনের বর্তমান সংসদ সদস্য ইসরাফিল আলম ছাড়াও মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন রাজশাহী মহানগর আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি নওশের আলী, নওগাঁ জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাধারণ সম্পাদক ওমর ফারুক সুমন, রাণীনগর উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান আনোয়ার হোসেন হেলাল, রাণীনগর উপজেলা আওয়ামী লীগের সিনিয়র উপদেষ্টা আব্দুর রহমান, জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য রেজাউল ইসলাম ও সাবেক ছাত্রলীগ নেতা শেখ রফিকুল ইসলাম ।
স্থানীয়দের মতে, আগামী নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা হবে আওয়ামী লীগ ও বিএনপি প্রার্থীদের মধ্যে। সবাই অপেক্ষা আছে দুই দল থেকে কোন প্রার্থীকে মনোনয়ন দেওয়া হবে তা জানতে। যাদের মনোনীত করা হবে তারা এই জনপদের মানুষের জন্য শান্তি ফিরিয়ে আনতে পারবেন কিনা।







